প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত বাংলাদেশিরা কী অবস্থায় আছেন এবং উদ্ভূত পরিস্থিতিতে তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কী কী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার কারণে অনেক আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। প্রধানমন্ত্রী হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের সার্বিক দেখভালের বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি করছেন। অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বিমানমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী সরাসরি কাজ করছেন। বিমান প্রতিমন্ত্রী সকাল থেকেই বিমানবন্দরে অবস্থান করে যাত্রীদের সুযোগ-সুবিধা তদারকি করছেন এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীও এই প্রক্রিয়ায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত রয়েছেন।
আরও পড়ুন:
সকাল ৯টা ১০ মিনিটে সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে আসার পর প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলুর সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকে ভূমিকম্প পরবর্তী সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলা নিয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী দ্রুত একটি কার্যকর কর্মপরিকল্পনা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন।
বৈঠক শেষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু জানান, প্রধানমন্ত্রী ভূমিকম্প পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঢাকা শহরে দ্রুত এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক তৈরি করার জন্য বিশেষ নির্দেশ দিয়েছেন।
দিনের কর্মসূচি অনুযায়ী, পরবর্তীকালে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রীও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। দেশের বর্তমান জ্বালানি নিরাপত্তা ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন।





