আজ (মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে পৌঁছান তারা। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দীন। পরে তিনি আহতদের বর্তমান অবস্থা ও চলমান চিকিৎসা কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের বিস্তারিত অবহিত করেন।
এসময় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন মো. সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, ‘একই পরিবারের ৯ জন অগ্নিদগ্ধের মধ্যে ২ জন মারা গেছেন। একজন রোগী ভেন্টিলেশনে আছেন। ভর্তিকৃত রোগীদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে।’
আরও পড়ুন:
এছাড়া দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতি বছর মানবসৃষ্ট দুর্যোগে অসংখ্য মানুষ মারা যাচ্ছেন। ভবিষ্যতে এরকম দূর্ঘটনা কমানোর ক্ষেত্রে কাজ করবে মন্ত্রণালয়।’
এর আগে, গতকাল (সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি) উন্নত চিকিৎসার জন্য দগ্ধদের ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে আনা হয়। এদের মধ্যে নুরজাহান আক্তার রানী ও মো. শাওন নামে দু’জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বর্তমানে ৪ বছরের শিশু আয়েশা আক্তার, ৬ বছরের শিশু ফারহান আহমেদ আনাসসহ ৭ জন চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।
এদিকে, আজ সেহরির সময় কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গ্যাস বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের ৪ জন সদস্য। পরে এ বিষয়ে ইনস্টিটিউট পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. নাসির উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘স্বামী-স্ত্রীর অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে পরিবারের শিশু ও বয়স্ক সদস্যদের শারীরিক অবস্থা কিছুটা ভালো রয়েছে।’





