আরও পড়ুন:
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ও গভীরতা (Earthquake Epicenter and Depth)
সহকারী আবহাওয়াবিদ ফারজানা সুলতানা জানান, ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া এলাকা (Kalaroa, Satkhira)। ভূপৃষ্ঠ থেকে এর গভীরতা ছিল ১৫০ কিলোমিটার (150 km depth)। গভীরতা বেশি হওয়ার কারণে ভূকম্পনের মাত্রা মৃদু ছিল এবং বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের (Casualties or Damages) খবর পাওয়া যায়নি।
আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষণ (International Observations)
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পাশাপাশি ইউরোপীয়-ভূমধ্যসাগরীয় ভূকম্প বিজ্ঞান কেন্দ্র (EMSC) এবং ভারতের ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি (NCS) এই ভূমিকম্পের রেকর্ড সংগ্রহ করেছে। ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞদের মতে, গত কয়েক মাস ধরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘনঘন মৃদু ভূমিকম্প (Frequent tremors) বড় ধরনের কোনো ভূমিকম্পের পূর্বাভাস কি না, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ (Concerns) দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন:





