প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করতে যাকাত ব্যবস্থাপনাকে সুশৃঙ্খল ও আরও কার্যকর করতে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সরকার।’
এসময় তিনি বলেন, ‘ব্যায় সংকোচন এবং কৃচ্ছতা সাধনের অংশ হিসেবে বৈশ্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবারের রমজানে আজকের ইফতার হয়তো শেষ ইফতার মাহফিল।’
এতিম ও ওলামা-মাশায়েখদের সঙ্গে ইফতার মাহফিলে আরও অংশ নেন ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম, আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমেদুল্লাহ, জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক প্রমুখ।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ছালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন প্রমুখ ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন।





