উপদেষ্টা বলেন, ‘সরকার চায় সর্বোচ্চ সংখ্যক বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক নির্বাচন পর্যবেক্ষণে আসুক। এ ক্ষেত্রে আগ বাড়িয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো উদ্যোগ নেবে না, তবে কেউ আসতে চাইলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেয়া হবে।’
নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘বর্তমানে দেশে বড় ধরনের কোনো গণ্ডগোল নেই। ছোটখাটো ধাক্কাধাক্কি বা মারামারি ছাড়া বড় কোনো সহিংসতার ঘটনা ঘটেনি। ভারতও নিরাপত্তা বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো উদ্বেগ জানায়নি।’ ভারতীয় কর্মকর্তাদের পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত হতে পারে, এতে শঙ্কার কিছু নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘যারা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না, তারাই নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করতে পারে এবং সহিংসতার কথা বলছে। সরকার মনে করে, নির্বাচনে সহিংসতা হলে ভোটে না থাকা দলগুলোর পক্ষ থেকেই তা ঘটতে পারে।’
আরও পড়ুন:
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘কিছু রোহিঙ্গা বাংলাদেশি পাসপোর্ট ব্যবহার করে সৌদি আরবে গেছেন—এ ধরনের অভিযোগ থাকলেও পাসপোর্টের মতো বিষয় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে না। রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের আরাকান অঞ্চলের অধিবাসী এবং প্রত্যাবাসন ইস্যু বৃহত্তর পরিসরে বিবেচিত হচ্ছে।’
ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রসঙ্গে তিনি জানান, ব্যস্ততার কারণে সাম্প্রতিক সময়ে বৈঠকটি সম্ভব হয়নি। চীন নিয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূতের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশ নিজের স্বার্থ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে।’
চীনের সহায়তায় সামরিক ড্রোন কারখানা স্থাপন চুক্তির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ যে কোনো দেশের সহায়তা নিতে পারে। এতে অন্য কেউ আপত্তি তুললেও তাতে কিছু আসে যায় না।’
এদিকে, ওসমান হাদির ভাই ওমর হাদির যুক্তরাজ্যের বার্মিংহ্যামে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে নিয়োগ বহাল রয়েছে বলেও জানান পররাষ্ট্র উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ‘সব রাজনৈতিক দল সংযত আচরণ করছে এবং সরকার একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে অঙ্গীকারবদ্ধ।’





