ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের চূড়ান্ত চার্জশিট ৭ জানুয়ারি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা | ছবি: বাসস
0

আগামী ৭ জানুয়ারি ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চূড়ান্ত চার্জশিট দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।

আজ সোমবার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির ১৯তম সভা শেষে ব্রিফিংকালে এ কথা জানান তিনি। সভায় বেশ কয়েকজন উপদেষ্টাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রধান ও শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা শহিদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় আগামী ৭ জানুয়ারি চার্জশিট দেয়া হবে।

তিনি বলেন, ‘এরইমধ্যে এ ঘটনায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকার মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে। মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এবং অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদেই এ হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।’

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিহত করতে যথাযথ ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।’

এছাড়াও সম্মেলনে নির্বাচনের সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব বাহিনীকে সমন্বিতভাবে ও মাঠ পর্যায়ে আরও সক্রিয়ভাবে কাজ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন:

লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার যথাসময়ে নির্বাচন অনুষ্ঠানে অটল। যারা নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করবেন, তারা ব্যর্থ হবেন- এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীগুলোকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘এবারের জাতীয় নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানো বা নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার যে কোন অপতৎপরতা প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সর্তক থাকবে।’

উপদেষ্টা বলেন, ‘নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক কর্মসূচি ও প্রচার-প্রচারণাকালে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সভায় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আমি সাধারণ জনগণসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে অনুরোধ করছি- সবাই যেন নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিতে সহযোগিতা করেন এবং নির্বাচনি আচরণবিধি মেনে চলেন।’

তিনি বলেন, ‘সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে- রাস্তাঘাট বন্ধ করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করা হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এ বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।’—বাসস

এএইচ