সেখানে বলা হয়, দেশব্যাপী বিদ্যমান তীব্র জ্বালানি সংকটের কারণে আগামী ১৯ মে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে সাধারণ আসনের সাতটি ও আঞ্চলিক আসনের সাতটি পদে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
‘এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা আইনজীবী সমিতি ও চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতিসহ দেশের বিভিন্ন বার থেকে নির্বাচন স্থগিতের আবেদন ও অনুরোধ জানানো হয়।’
সার্বিক পরিস্থিতি ও অনুরোধগুলো ‘যথাযথভাবে বিবেচনায় নিয়ে’ ১৯ মের ভোটগ্রহণ স্থগিত করার কথা বলা হয়েছে কাউন্সিলের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে।
গত ২ এপ্রিল বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ও অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের সভাপতিত্বে এক সভায় ১৯ মে নির্বাচনের দিন নির্ধারণ করা হয়েছিল।
কাউন্সিলের ফাইন্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান এ এস এম বখতিয়ার আনোয়ার, লিগ্যাল এডুকেশন কমিটির চেয়ারম্যান আবদুল আল মামুন, রিলিফ কমিটির চেয়ারম্যান মো. শফিকুল ইসলাম এবং রোল ও পাবলিকেশন কমিটির চেয়ারম্যান মো. মাহফুজ আহসানসহ অন্য সদস্যরা ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন:
পরে গত ৭ এপ্রিল বার কাউন্সিল নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করা হয়। সেখানে ৯ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে ১৬ এপ্রিল বিকাল ৪টা পর্যন্ত মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। এছাড়া ২৩ এপ্রিল মনোনয়নপত্র বাছাই, ৩০ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় এবং ১৯ মে সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণের সময় ঠিক হয়েছিল।
বার কাউন্সিলের নির্বাচনি বিধি অনুযায়ী, মোট ১৪ জন সদস্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে থাকেন। এর মধ্যে বার কাউন্সিলের সনদপ্রাপ্ত অ্যাডভোকেটদের মধ্য থেকে সাধারণ আসনে (জেনারেল সিট) সাতজন এবং সাতটি আঞ্চলিক (গ্রুপ) আসনের প্রতিটির আওতাধীন স্থানীয় আইনজীবী সমিতির সদস্যদের মধ্য থেকে একজন করে আরও সাতজন সদস্য নির্বাচিত হন।
সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি এবং খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও রাঙ্গামাটি জেলা আইনজীবী সমিতির প্রত্যেক ভোটার সাধারণ আসনের জন্য সাতটি ভোট দিতে পারেন। অন্যদিকে স্থানীয় আইনজীবী সমিতির ভোটাররা সাধারণ আসনের জন্য সাতটি এবং নিজ নিজ আঞ্চলিক আসনের জন্য একটি করে ভোট দেয়ার সুযোগ পান।
ঘোষিত তফসিলে ভোটকেন্দ্র হিসেবে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ভবন, দেশের সকল জেলা সদরের দেওয়ানি আদালত প্রাঙ্গণ এবং বাজিতপুর, ঈশ্বরগঞ্জ, দুর্গাপুর, ভাঙ্গা, চিকন্দি, পটিয়া, সাতকানিয়া, বাঁশখালী, ফটিকছড়ি, সন্দ্বীপ, হাতিয়া, নবীনগর ও পাইকগাছা দেওয়ানি আদালত প্রাঙ্গণ নির্ধারণ করা হয়েছিল।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর একটি অ্যাডহক কমিটি গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।





