ইরানকে সহায়তা করলে চীন-রাশিয়াকে বড় মূল্য দিতে হবে: ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প | ছবি: রয়টার্স
0

উপসাগরীয় সামুদ্রিক পথ সুরক্ষিত করার আরও জোরালো প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি। খুব শিগগিরই যুদ্ধ শেষ হবে ও মধ্যবর্তী নির্বাচন ইরান নীতিকে প্রভাবিত করবে না বলে জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এছাড়া ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি, ইরানকে সাহায্য করলে অনেক কিছু হারাবে চীন-রাশিয়া। অন্যদিকে হামলা ও দেশটির পারমাণবিক শক্তি সংস্থার ক্ষতিসাধনের অভিযোগে ৯৭ মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছে ইরান। পাশাপাশি নিজদের প্রস্তাবের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মন্তব্যের জবাব চূড়ান্ত করছে ইরান।

ইরান যুদ্ধ শুরুর পর এই প্রথম কাতারে শুরা পরিষদের অধিবেশন বসলো। উদ্বোধনী অধিবেশনে আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি উপসাগরীয় সামুদ্রিক পথ সুরক্ষিত করার আরও জোরালো প্রচেষ্টার আহ্বান জানিয়েছেন। আল থানি হরমুজ প্রণালীতে নৌচলাচল সুরক্ষিত করতে এবং জ্বালানি স্থাপনা-বেসামরিক অবকাঠামো রক্ষার প্রচেষ্টা বাড়ানোর আহ্বান জানান।

শিগগিরই যুদ্ধ শেষের আশাবাদ ব্যক্ত করে ট্রাম্প জানালেন, মধ্যবর্তী নির্বাচন তার ইরান নীতিকে প্রভাবিত করবে না। এছাড়া ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরানকে সামরিক বা অন্য কোনো বড় ধরনের সাহায্য করলে অনেক কিছু হারাবে চীন-রাশিয়া। ট্রাম্পের দাবি, দেশগুলো বড় কোনো পদক্ষেপ নিলে যুক্তরাষ্ট্র খুব দ্রুতই তা টের পাবে।

আরও পড়ুন:

আরেকদিকে সাম্প্রতিক যুদ্ধে হামলা ও দেশটির পারমাণবিক শক্তি সংস্থার ক্ষতিসাধনের অভিযোগে ৯৭ জন মার্কিন ও ইসরাইলি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা করেছেন ইরানের প্রসিকিউটররা। মঙ্গলবার দেশটির বিচার বিভাগের মুখপাত্র আলী কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, এসব ধ্বংসযজ্ঞ ও অগ্নিসংযোগে ইরানের অন্তত ১৫ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি হয়েছে।

মঙ্গলবার ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী জানিয়েছেন, তেহরানের প্রস্তাবের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মতামতের জবাব চূড়ান্ত করছে তার দেশ। গরিবাবাদী আরও জানান, তেহরান যুদ্ধ ও কূটনীতি উভয়ের জন্যই প্রস্তুত।

দক্ষিণ-পূর্ব ইরানের তাফতান কাউন্টির পার্বত্য অঞ্চলে মঙ্গলবার ভোরে আইআরজিসি ও সশস্ত্র ব্যক্তিদের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে। লোপ ও আরজানতাক পর্বতমালাসহ চাহ-আহমাদ এলাকায় স্থানীয় সময় ভোরের দিকে এ লড়াই শুরু হয়। এ অঞ্চলে অতিরিক্ত সেনা পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে কয়েকটি মানবাধিকার সংস্থা।

এসএস