ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি) জানিয়েছে, দলের নেতা আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাস এবং অজিঙ্ক শিন্ডেসহ প্রায় ২০ জন কর্মীকে পুলিশ আটক করেছে। এর আগে সোমবার দিল্লি পুলিশ এক ঘোষণায় জানায়, দিল্লির কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত উন্মুক্ত মানমন্দির যন্তর মন্তরকে আর আনুষ্ঠানিক বিক্ষোভের স্থান হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। নেতাদের আটকের পর সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, ‘প্রতিরোধের চেতনাকে কখনো বাতিল করা যায় না।’
ভোটার তালিকা থেকে প্রায় ১৩ কোটি ভোটারের নাম বাদ পড়ার ঘটনায় চলতি মাসজুড়ে প্রায় প্রতিদিনই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছে সিজেপি ও বিরোধী দলগুলো। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধনের মাধ্যমে বিশেষ করে সংখ্যালঘু মুসলিম ভোটারদের অন্যায্যভাবে বাদ দিয়ে ক্ষমতাসীন বিজেপিকে নির্বাচনি সুবিধা দেয়া হচ্ছে। তবে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, ভুলবশত বাদ পড়া ভোটাররা পুনরায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন।
যুবসমাজের এই আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ১২ বছরের শাসনামলে অন্যতম বড় রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। এর আগে চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির জেরে যন্তর মন্তরে সিজেপির টানা অবস্থানের মুখে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। সম্প্রতি সিইসির দুই সহকর্মী ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া নিয়ে ভেতরে আপত্তি তোলার খবর গণমাধ্যমে প্রকাশের পর আন্দোলন নতুন করে রূপ নেয়।





