নিহত তিন নারী একটি নেইল স্যালনে ঈদের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, তারা পশ্চিম তীরের প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও একটু স্বাভাবিকভাবে ঈদ উদযাপনের চেষ্টা করছিলেন। কিন্তু ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষ তাদের জীবন কেড়ে নেয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা এই ঘটনাকে একটি ‘অসহায় ট্র্যাজেডি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তারা বলছেন, এটি একটি ভয়াবহ ট্র্যাজেডি এবং এই পরিস্থিতিতে তাদের আসলে কিছুই করার ছিল না। ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স টিম বর্তমানে এখানে অবস্থান করছে। তারা এই হামলার প্রকৃত এবং বিস্তারিত তথ্য জানতে আরও তল্লাশি ও অনুসন্ধান চালাচ্ছে।
আরও পড়ুন:
স্থানীয় ফিলিস্তিনিদের অভিযোগ, এখানকার মানুষের জন্য কোনো সুরক্ষা বা আশ্রয়কেন্দ্র নেই, জরুরি মুহূর্তে কী করতে হবে বা কোথায় যেতে হবে, সে সম্পর্কেও কোনো দিকনির্দেশনা নেই। তাদের কোনো আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও নেই।
প্রকৃতপক্ষে, ইসরাইলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাগুলো ফিলিস্তিনি গ্রামগুলোর চারপাশ জুড়ে এমনভাবে অবস্থিত, যা এই এলাকাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু বা ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষের পতনের ক্ষেত্রে আরও বেশি ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।





