বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমি আমাদের মহান বন্ধু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তার ঐতিহাসিক নেতৃত্বের জন্য ধন্যবাদ জানাই। ৪৭ বছর ধরে আয়াতুল্লাহ শাসকগোষ্ঠী “ইসরাইলের মৃত্যু হোক”, “আমেরিকার মৃত্যু হোক” স্লোগান দিয়ে আসছে।’
তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের রক্ত ঝরিয়েছে, বহু আমেরিকানকে হত্যা করেছে এবং নিজেদের জনগণকেও হত্যা করেছে। এই হত্যাকারী সন্ত্রাসী শাসনব্যবস্থাকে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পেতে দেয়া যাবে না- যা তাদের সমগ্র মানবজাতিকে হুমকি দেয়ার সুযোগ করে দেবে। আমাদের যৌথ পদক্ষেপ সাহসী ইরানি জনগণকে নিজেদের ভবিষ্যৎ নিজের হাতে নেয়ার পরিবেশ সৃষ্টি করবে।’
বিবৃতিতে তিনি আরও বলেন, ‘সময় এসেছে ইরানের সব জনগোষ্ঠীর—পার্সিয়ান, কুর্দি, আজারি, বালুচি এবং আহওয়াজি—অত্যাচারের শৃঙ্খল ভেঙে একটি স্বাধীন ও শান্তিপূর্ণ ইরান গড়ে তোলার। আমি ইসরাইলের নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানাই, আপনারা হোম ফ্রন্ট কমান্ডের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।’
আরও পড়ুন:
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী দিনগুলোতে “অপারেশন দ্য রোর অব দ্য লায়ন”-এ আমাদের সবার ধৈর্য ও দৃঢ়তার প্রয়োজন হবে। আমরা একসঙ্গে দাঁড়াবো, একসঙ্গে লড়বো এবং একসঙ্গে ইসরাইলের চিরস্থায়িত্ব নিশ্চিত করবো।’
এছাড়া ইরানের বিরুদ্ধে হামলার লক্ষ্য ছিল দেশটির ‘অস্তিত্বের হুমকি’ দূর করা বলেও জানিয়েছে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী।
নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে যাতে ‘সাহসী ইরানি জনগণ তাদের ভাগ্য নিজেদের হাতে নিতে পারে।’
তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঐতিহাসিক নেতৃত্বকে প্রশংসা করেছেন। নেতানিয়াহুর মতে, এই যৌথ পদক্ষেপ ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।
নেতানিয়াহু বলেন, ‘আমরা কেবল দেশকে হুমকি থেকে রক্ষা করছিই না, বরং একটি স্বতন্ত্র ও সাহসী ইরানি জনগণের সম্ভাবনার পথ তৈরি করছি।’





