ভৌগোলিকভাবে পাকিস্তানের বৃহত্তম এবং খনিজ সম্পদে পরিপূর্ণ প্রদেশ হওয়া সত্ত্বেও দশকের পর দশক ধরে রাষ্ট্রীয় অবহেলা, লুণ্ঠন আর নির্যাতনে বিচ্ছিন্নতার আগুনে জ্বলছে বেলুচিস্তান।
সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবরে উঠে আসে বেলুচিস্তানের মানুষ নিজেদের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে। এমনকি বেলুচরা নিজস্ব জাতীয় সংগীত, পতাকা ও মুদ্রা ঘোষণা করে নিজেদের সার্বভৌমত্বের দাবিও জানিয়েছে।
এমন ঘোষণার পর পারমাণবিক শক্তিধর পাকিস্তান সরকার নানা অজুহাতে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে। বেলুচিস্তানের এ স্বাধীনতার প্রশ্ন যেনো বাংলাদেশের একাত্তরের ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি।
৫৫ বছর পর বেলুচিস্তানের মানুষও পাকিস্তান থেকে আলাদা হতে চাচ্ছে। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ে সোচ্চার হয়েছে উঠেছেন বেলুচ নারী মানবাধিকার কর্মী মাহরাং বালুচ। তার অভিযোগ, পাকিস্তান বেলুচিস্তানে গণহত্যা পরিচালনা করছে।
এদিকে, পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে চলমান সংকট নিয়ে দেশটির বুদ্ধিজীবী ফাইক সিদ্দিকী এবার সরাসরি বলেছেন, বেলুচিস্তান পাকিস্তান সরকারের কাছ থেকে হাতছাড়া হয়ে গেছে। তিনি সামরিক বাহিনীকে সতর্ক করে বলেছেন, বেলুচিস্তান আর নিয়ন্ত্রণে নেই। যদিও পাকিস্তানি সেনাবাহিনী এমন দাবি মানতে নারাজ।
শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংস্থাগুলো বলছে, বেলুচিস্তানজুড়ে বেসামরিক নাগরিকদের উপর সহিংসতা অব্যাহত রয়েছে। শুধু তাই নয় প্রতিবাদ করে গুমের শিকার হয়েছেন বহু মানুষ।
এছাড়া, নারীদের জোরপূর্বক গুমের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে বেলুচ উইমেন ফোরাম। এসব ঘটনায় বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে বেড়েছে ভয়, আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা।





