আটককৃত ডাকাতদের স্বীকারোক্তিতে বেরিয়ে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। চাচার বাড়িতে ডাকাতের পরিকল্পনা মূল পরিকল্পনাকারী ভাতিজা। যদিও তাকে এখনো আটক করা যায়নি।
আটকৃতরা হলো, হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ের রাজকুমার (২৬), জামালপুরের ইসলামপুরের আব্দুল হামিদ (৪৫) ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবার শাহিন আলম (৪৮)।
স্থানীয় পুলিশদের জানা যায়, শনিবার দিবাগতে দুর্গাপুর উপজেলার লক্ষ্মীপুরে কৃষক আব্দুল ওয়াদুদের বাড়িতে ডিবি পুলিশ পরিচয় সাত থেকে আট জন যুবক প্রবেশ করে। বাড়িতে থাকা শিশু নারীসহ পাঁচ থেকে ছয় জনকে গরু বাধার রশি দিয়ে হাত মুখ বেঁধে ঘরে থাকা স্বর্ণ অলংকারসহ নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন ডাকাতি করে পালিয়ে যায় তারা। পরে বাড়ির এক সদস্য কোনো রকমের রশি খুলে চিৎকার চ্যাঁচামেচি শুরু করলে স্থানীয়রা এগিয়ে আসে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ডাকাতের বিষয়ে জানতে পেরে তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করে।
আরও পড়ুন:
এ সময় বাড়ি থেকে চুরি হওয়া একটি মোবাইল ফোনে অবস্থান তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় শনাক্ত করে পুলিশ। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় সঙ্ঘবদ্ধ ডাকাত চক্রকে ধাওয়া দিয়ে আব্বাস নগর তালতলা বাজার থেকে তিনজনকে আটক করে পুলিশ। এছাড়াও বাকিরা পুলিশের উপস্থিতি কৌশলের ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
আটককৃত তিন ডাকাতের প্রাথমিক স্বীকারোক্তিতে জানান লক্ষ্মীপুর গ্রামের আব্দুল ওয়াদুদের বাড়িতে ডাকাতের মূল পরিকল্পনাই করে তার ভাতিজা রামিম। এদিকে পুলিশ জানায় মূল পরিকল্পনাকারী রামিমকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে দুর্গাপুর থানার ওসি খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, ‘আমরা খবর পাওয়ার পরপরই তাৎক্ষণিক ঢাকার চক্রকে ধরতে অভিযান শুরু করি। পরে তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় চুরি হওয়া একটি মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করে। পরে ডাকাত চক্রকে ধাওয়া করে তিনজনকে ধরতে সক্ষম হই। প্রাথমিকভাবে আমরা নিশ্চিত হয়েছে যে বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে তার আপন ভাতিজা রামিম এর মূল পরিকল্পনাকারী।’
তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে সাত থেকে আটজনের একটি দলকে রামিম বিয়ে বাড়িতে কাজ করাবেন বলে ৫ হাজার টাকা করে ভাড়া করে। পরে চাচার বাড়িতে ডিবি পুলিশ পরিচয় ডাকাতি করে স্বর্ণ অলংকারসহ নগদ অর্থ ডাকাতি করে। আমরা মূল পরিকল্পনাকারীকে এখনো ধরতে পারিনি তবে অচিরেই থাকে আইনের আওতায় আনবো। এছাড়াও এব্যাপারে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে।’





 reacts as he holds a picture of Sonam Wangchuk-320x167.webp)