১৯৫০-৫৩ সালের কোরিয় যুদ্ধ একটি অস্ত্রবিরতির মাধ্যমে শেষ হয়েছিল। তবে এটি কোনো শান্তি চুক্তি নয়। দুই কোরিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধের ময়দানে রয়েছে। প্রতিবেশী দুই দেশকে বিভক্ত করা সীমান্ত ডিএমজেড বা অসামরিক অঞ্চল হিসেবে পরিচিত। যা প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং চার কিলোমিটার প্রশস্ত একটি বাফার জোন।
এটি বিশ্বের সবচেয়ে সুরক্ষিত এবং সামরিক সীমান্তের একটি। সুরক্ষিত এই অঞ্চলে জনসাধারণের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। এতদিন সীমান্তের দক্ষিণে প্রায় ১০ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে জনসাধারণের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ ছিল। সামরিক স্থাপনার নিরাপত্তার স্বার্থে জারি ছিল এই বিধিনিষেধ।
অবশেষে বুধবার বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে অবশেষে এই বিধিনিষেধ ১০ কিলোমিটার থেকে কমিয়ে ৬ কিলোমিটারে আনার ঘোষণা দেন উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এতে করে দক্ষিণ কোরিয়ার নাগরিকরা এখন উত্তর কোরিয়ার সীমান্তের আরও কয়েক কিলোমিটার ভেতরে যেতে পারবে।
আরও পড়ুন:
উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘স্থানীয় বাসিন্দাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানায় সিউল। নতুন নিয়মে সামরিক কার্যক্রমের কার্যকারিতা বজায় রেখে কৃষিকাজে ব্যবহৃত ড্রোন উড্ডয়নের অনুমোদন প্রক্রিয়াও উল্লেখযোগ্যভাবে সহজ করা হবে।’
এদিকে জি-সেভেন শীর্ষ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং। সংক্ষিপ্ত বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে চলমান উত্তেজনা কূটনৈতিক উপায়ে সমাধানের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা চেয়েছেন তিনি। জবাবে ট্রাম্পও তাকে আশ্বাস দিয়েছেন।
উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে উত্তেজনা কমাতে এরইমধ্যে বেশকিছু পদক্ষেপও নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং। এরই অংশ হিসেবে দক্ষিণ কোরিয়া সীমান্ত থেকে সরানো হয় লাউডস্পিকার।





