প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মুখ্যমন্ত্রী এজেসি বোস রোড ধরে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের সময় আগে থেকে অবস্থান নেয়া বিজেপি সমর্থকেরা বিক্ষোভ শুরু করেন। তৃণমূল কর্মীরা এর প্রতিবাদ করলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেঁধে যায়। পুলিশের উপস্থিতিতেই একে অপরকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি ও চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।
বিজেপির অভিযোগ, গণনাকেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে আগে থেকেই তৃণমূল কর্মীরা অবৈধভাবে জমায়েত করেছিল। পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়ার চেষ্টা করলেও বিজেপি মিছিল নিয়ে হাজির হলে সংঘাত চরম আকার ধারণ করে। এছাড়া জগদীশচন্দ্র বোস কলেজের সামনেও লাঠি হাতে দুই পক্ষের মহড়া দিতে দেখা গেছে।
আরও পড়ুন:
এদিকে, সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের ভেতরে এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের নিয়ম না থাকায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর মোবাইল ফোন জমা দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। সূত্র জানায়, নিয়ম লঙ্ঘনের দায়ে তাদের কাছ থেকে ফোন নিয়ে নেয়া হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, তারা কেন্দ্র থেকে বের না হওয়া পর্যন্ত এই বুথের ভোট গণনা শুরু হবে না।
উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ায় ভবানীপুরসহ আশপাশের এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। গণনাকেন্দ্রের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া নজরদারি থাকলেও ক্ষণে ক্ষণে স্লোগান-পাল্টা স্লোগানে উত্তপ্ত হয়ে উঠছে রাজপথ।




