পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে এখন নির্বাচনি প্রচারের আমেজ। এরই মধ্যে প্রথম দফার ভোট শেষ হয়েছে। বাকি রয়েছে শেষ বা দ্বিতীয় দফার ভোট। সড়ক, অলিগলি, দেয়াল সব জায়গাতেই প্রার্থীদের সমর্থনে পোস্টার, ব্যানার, পতাকা দেখা যাচ্ছে; ‘ভোট দিন, ভোট দিন’— স্লোগানে মুখরিত সর্বত্র। প্রচারে প্রতিশ্রুতির ডালি সাজিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন বিভিন্ন দলের প্রার্থীরা। কিন্তু তাদের ওপরে তরুণ প্রজন্মের ভরসা কতটুকু— সেটাই এখন প্রশ্ন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্যানুযায়ী, রাজ্যটিতে মোট ভোটারের সংখ্যা ৬ কোটি ৭৫ লাখের মতো। এর মধ্যে তরুণ ভোটার এক-পঞ্চমাংশ বা তার বেশি। নির্বাচনের ফলে এসব ভোটারদের পছন্দ-অপছন্দ যথেষ্ট গুরুত্ব পাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
তরুণ প্রজন্মের ভোটাররা মূলত কর্মসংস্থান, উন্নত শিক্ষা, দুর্নীতিমুক্ত শাসন এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার মতো ইস্যুগুলোকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গে ‘যুবসাথী’ প্রকল্পে মাসিক ভাতার মতো উদ্যোগগুলো তরুণদের সমর্থন আদায়ের জন্য নেয়া হলেও, তারা স্থায়ী কর্মসংস্থানকেই বেশি প্রাধান্য দিচ্ছেন।
‘জেন জি’ কেবল ভোটার নয়, বরং নির্বাচনকে প্রভাবিত করার মতো একটি সচেতন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবেও কাজ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে এ প্রজন্ম পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি, ভোটদান এবং ফলাফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার নির্বাচন বাকি থাকলেও এরই মধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে ভারতের বাকি চার রাজ্যে বিধানসভার নির্বাচন। এগুলো হল— তামিলনাড়ু, কেরালা, আসাম এবং পুদুচেরি। প্রতিটি রাজ্যের ভোটেই ‘জেন জি’ এবং তরুণ ভোটারদের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের বিষয়টি সামনে উঠে এসেছে। পাঁচ রাজ্যের ভোটের ফল জানা যাবে আগামী ৪ মে।





