এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে ইসরাইলি সেনাবাহিনীর কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। গত সপ্তাহের (সোমবার, ২ মার্চ) ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার প্রতিশোধ নিতে ইরান-সমর্থিত লেবাননি গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর থেকে ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে একাধিক প্রাণঘাতী হামলা চালিয়েছে এবং স্থলসেনা পাঠিয়েছে। তবে এর আগে পূর্বাঞ্চলে উত্তরে অভিযান চালানোর খবর পাওয়া যায়নি।
লেবাননের সরকারি বার্তা সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ) জানিয়েছে, রাতের অন্ধকারে একটি ইসরাইলি কমান্ডো ইউনিট নাবি চিতের পূর্বাংশে একটি পারিবারিক কবরস্থানের দিকে ‘অনুপ্রবেশ’ করে।
সংস্থাটি জানায়, প্রতিরোধযোদ্ধা ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের শনাক্ত করলে হালকা ও মাঝারি অস্ত্র নিয়ে কমান্ডোদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে ইসরাইলি ইউনিটের উপস্থিতি প্রকাশ পেলে একাধিক যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টারের হস্তক্ষেপ করে এবং প্রায় ৪০টি হামলা চালায়।
আরও পড়ুন:
এনএনএর তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে অন্তত তিনজন লেবাননের সেনাসদস্য ও একজন জেনারেল সিকিউরিটি অধিদপ্তরের সদস্য রয়েছেন।
প্রতিবেদনে বলা আরও হয়, ২০২৪ সালের নভেম্বর মাসে উত্তরাঞ্চলীয় শহর বাতরুন থেকে বিশেষ ইউনিটের সদস্যরা হিজবুল্লাহ সদস্য ইমাদ আমহাজকে আটক করার পর এটিই লেবাননের ভেতরে ইসরাইলি বাহিনীর সবচেয়ে বড় মাত্রার অনুপ্রবেশ।
এদিকে লেবানন-সিরিয়া সীমান্ত এলাকায় ইসরাইলি বাহিনী অবতরণের চেষ্টা করলে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে এনএনএ। সংস্থাটি বলেছে, এ লড়াইয়ে হিজবুল্লাহর যোদ্ধারাও অংশ নিয়েছেন।
এনএনএ জানায়, লেবানন-সিরিয়া সীমান্তবর্তী পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় ইসরাইলি অবতরণের চেষ্টা প্রতিহত করতে সংঘর্ষ চলছে।




