আজ (শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি) ইরান ও ইসরাইল উভয় দেশই ক্ষেপণাস্ত্র বিনিময় করেছে। ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনে তেহরানে প্রি-এম্পটিভ বা প্রতিরোধমূলক হামলা চালায়। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানায়, “অতিরিক্ত ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া” শুরু হয়েছে পাশাপাশি আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।
আঞ্চলিক বিস্ফোরণগুলো আবুধাবি, কুয়েত ও দোহায়ও অনুভূত হয়েছে। হামলা ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির অফিসের কাছাকাছি হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৮৬ বছর বয়সী খামেনি তেহরানে ছিলেন না এবং তাকে নিরাপদ স্থানে স্থানান্তরিত হয়েছেন।
ইরান রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ অংশীদার হিসেবে থাকা সত্ত্বেও পরিস্থিতি ভ্লাদিমির পুতিনের জন্য জটিল হয়ে উঠেছে। তেহরান সম্প্রতি রাশিয়ার সঙ্গে হাজারো উন্নত শোল্ডার-ফায়ার ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
ট্রাম্পে বলেন, ‘মার্কিন জনগণকে রক্ষা করতে এবং ইরান থেকে আসন্ন হুমকি দূর করতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে।’ ট্রাম্প ইরানকে ‘বিশ্বের প্রধান রাষ্ট্রীয় উগ্রপন্থী সংস্থা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
রাশিয়া হামলা অবিলম্বে বন্ধের আহ্বান এবং কূটনৈতিক সমাধানের পথে ফিরে যাওয়ার দাবি জানিয়েছে। এদিকে বেলজিয়াম ইরানি জনগণকে সরকারের ভুলের জন্য শাস্তি ভোগ করতে হবে না, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থে দুঃখ প্রকাশ করেছে।
অন্যদিকে ইসরাইলের প্রি-এম্পটিভ হামলা আন্তর্জাতিক আইনের পরিপন্থী বলেছে নরওয়ে। পাকিস্তান “কঠোর নিন্দা” এবং অবিলম্বে কূটনৈতিক সমাধান আহ্বান জানিয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট প্রাবোও সুভিয়ান্টো মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত, প্রয়োজনে তেহরান সফরের প্রস্তাব দিয়েছেন
আঞ্চলিক উত্তেজনা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে, এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য কূটনৈতিক উদ্যোগে জোর দেয়ার আহ্বান করা হচ্ছে।
আল জাজিরা ও এনডিটিভি ওয়ার্ল্ডের প্রতিবেদন অবলম্বনে





