যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্ট এক বিবৃতিতে জানায়, সংস্কারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতা এবং শান্তি প্রক্রিয়ার সম্ভাবনা ব্যাহত করার কারণে পিএ ও পিএলও কর্মকর্তাদের ভিসা না দেয়ার সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। ওয়াশিংটনের অভিযোগ, সরাসরি আলোচনার বাইরে আন্তর্জাতিক মহলে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতির চেষ্টা চালানো, ইসরাইলের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে যাওয়া এবং সহিংসতায় সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিয়ে পিএ মার্কিন আইন লঙ্ঘন করছে।
এবারের সাধারণ পরিষদ অধিবেশনে প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি এবং দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পক্ষে জোরালো বক্তব্য দেয়ার কথা ছিল। এছাড়া গাজার মানবিক বিপর্যয় এবং ফিলিস্তিনের অধিকৃত পশ্চিম তীরে অবৈধ ইসরাইলি বসতি সম্প্রসারণের বিষয়টিও তুলে ধরার কথা ছিল তার।
তবে জাতিসংঘ সদর দপ্তর চুক্তির আওতায় পিএ মিশনের নিয়মিত স্টাফরা নিউ ইয়র্কে তাদের নিয়মিত কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারবেন।
এদিকে গাজায় যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনইয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলেও কোনো ইসরাইলি কর্মকর্তার ওপর ওয়াশিংটনের এমন ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা নেই। জাতিসংঘ মানবাধিকার বিশেষজ্ঞ ও ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা বলছেন, জাতিসংঘে আমন্ত্রিত প্রতিনিধিদের প্রবেশে বাধা দেয়া আন্তর্জাতিক চুক্তির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং এটি ওয়াশিংটনের দ্বিচারিতাকেই তুলে ধরে।





