ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই জানিয়েছেন, দোহার এই আলোচনার প্রধান লক্ষ্য হলো সমঝোতা স্মারকের বিভিন্ন ধারা বাস্তবায়ন করা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, ‘আগামী কয়েক দিন কোনো পর্যায়েই মার্কিন পক্ষের সঙ্গে আমাদের সরাসরি কোনো আলোচনার পরিকল্পনা নেই।’ বাঘাইয়ের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এল যখন যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনার মধ্যস্থতাকারীদের সঙ্গে কথা বলতে দোহায় অবস্থান করছেন।
কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি জানিয়েছেন, কাতারে আটকে থাকা ১২ বিলিয়ন ডলারের মধ্যে ৬ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৭৮ হাজার কোটি টাকা) হস্তান্তরের বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান ঐকমত্যে পৌঁছাবে। তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, ওই অর্থ এখনো তেহরানে স্থানান্তর করা হয়নি। আনসারি আরও জানান, অর্থ ছাড়ের বিষয়টি ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে আলোচনার অগ্রগতির ওপর নির্ভর করছে।
১৮ জুন কার্যকর হওয়া এই সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, দুই দেশ যুদ্ধ বন্ধ করা, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, পারমাণবিক ইস্যু এবং হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেয়ার বিষয়ে একমত হয়েছিল। তবে গত সপ্তাহান্তের পাল্টাপাল্টি হামলার পর পরিস্থিতির কিছুটা অবনতি হলেও কূটনৈতিক তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ইরান এখন চাচ্ছে তাদের নিজস্ব তহবিল পুরোপুরি ব্যবহারের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে।





