গতকাল (বুধবার, ২৪ জুন) রাতে বাহরাইনের রাজধানী মানামায় পৌঁছান রুবিও। মানামা মার্কিন নৌবাহিনীর পঞ্চম নৌবহরের সদর দপ্তর হিসেবে পরিচিত। আজ রুবিও উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থার (জিসিসি) প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। তিন দিনের এই আঞ্চলিক সফরের আগে তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কুয়েত সফর করেছেন। কুয়েতে সাংবাদিকদের রুবিও বলেন, ‘আমরা এমন কিছু করবো না যা এই অঞ্চলে আমাদের দীর্ঘদিনের মিত্রদের নিরাপত্তাকে ক্ষুণ্ণ করে।’
গত সপ্তাহে সই হওয়া যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সমঝোতা স্মারক নিয়ে জিসিসি দেশগুলোর মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে। বিশেষ করে ইরানের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের ওপর কোনো বিধিনিষেধ না থাকা এবং ৩শ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন তহবিল নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। সুন্নি নেতৃত্বাধীন এই রাষ্ট্রগুলো শিয়া প্রধান ইরানকে তাদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করে। যদিও চুক্তিতে আঞ্চলিক দেশগুলোর অর্থায়নের কথা উল্লেখ আছে, তবে রুবিও জানিয়েছেন যে তিনি এই সফরে মিত্রদের কাছে পুনর্গঠন তহবিলের জন্য কোনো অর্থ চাইবেন না।
এদিকে পরমাণু পরিদর্শন এবং হরমুজ প্রণালি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরান একে অপরের বিপরীতমুখী দাবি করছে। ট্রাম্প দাবি করেছেন ইরান অনন্তকাল পরিদর্শনে রাজি হয়েছে, যা ইরান অস্বীকার করেছে। জিসিসির ছয়টি দেশই ইরান যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে লজিস্টিক সহায়তা দিয়েছিল এবং এর ফলে তারা ইরানি হামলার শিকারও হয়েছিল। ফলে এই অঞ্চলের দেশগুলো যদি ওয়াশিংটনের সঙ্গে তাদের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক পুনর্মূল্যায়ন করে, তবে তা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক কৌশলের জন্য বড় ধাক্কা হবে। বিশেষ করে বাহরাইনের সুন্নি রাজতন্ত্র আশঙ্কা করছে যে, অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী ইরান দেশটির শিয়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্থিরতা উসকে দিতে পারে।





