অনুষ্ঠানে এসপারকে প্রশ্ন করা হয়েছিল—প্রেসিডেন্টকে যারা পরামর্শ দিচ্ছেন, তারা সংবিধানের প্রতি অনুগত কি না সে বিষয়ে তার আস্থা আছে কি না। জবাবে ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমি দেখছি না যে প্রেসিডেন্ট সব সময় ভালো পরামর্শ পাচ্ছেন। ক্যাপিটল হিলের অনেক রিপাবলিকানও একই প্রশ্ন তুলেছেন যে, এই কৌশলগত বিষয়গুলোতে প্রেসিডেন্ট কি সেরা পরামর্শটি পাচ্ছেন?’
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইরানের সঙ্গে ট্রাম্পের নানা পদক্ষেপ নিয়ে ওয়াশিংটনের অনেক রিপাবলিকান নেতা উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সই হওয়া সমঝোতা স্মারক নিয়ে অনেক সিনেটরই অসন্তুষ্ট। এই চুক্তি নিয়ে এসপারের মনেও কিছু ‘গুরুতর প্রশ্ন’ রয়েছে। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো এবং হরমুজ প্রণালি খুলে দেয়ার বিষয়টি আমার পছন্দ হয়েছে। এতে অনেকের অর্থনৈতিক স্বস্তি হবে। পরমাণু আলোচনা শুরু হওয়াটাও ইতিবাচক। কিন্তু সমঝোতা স্মারকের অনেকগুলো পয়েন্ট নিয়ে আমার গুরুতর প্রশ্ন ও উদ্বেগ রয়েছে।’
২০২০ সালের নভেম্বরে ট্রাম্প তাকে প্রতিরক্ষা দপ্তর থেকে সরিয়ে দেয়ার পর থেকেই এসপার তার কঠোর সমালোচকে পরিণত হন। বিশেষ করে ওই বছরের মাঝামাঝি সময়ে বিক্ষোভ দমনে সক্রিয় সেনাদের ব্যবহারের বিষয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায় তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ট্রাম্প এসপারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বাতিল করে দেন। একই কাজ তিনি জন বোল্টন, মাইক পম্পেও এবং মার্ক মিলির ক্ষেত্রেও করেছিলেন।
২০২৪ সালে এসপার জানিয়েছিলেন যে তিনি তার পুরোনো বসকে ভোট দেবেন না। ট্রাম্পকে ‘গণতন্ত্রের জন্য হুমকি’ হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি তাকে আমাদের বর্তমান গণতন্ত্র, প্রতিষ্ঠান এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্য হুমকি মনে করি; যা আমেরিকাকে মহান করেছে এবং এই গ্রহের প্রাচীনতম গণতন্ত্র হিসেবে আমাদের পরিচিতি দিয়েছে।’





