উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, উপদেষ্টা, অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, বীর শহিদ পরিবারের সদস্য, আহত যোদ্ধা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, কূটনীতিক এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন:
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার আন্দোলন, গণঅভ্যুত্থান, শহিদদের আত্মত্যাগ এবং তৎকালীন দীর্ঘ শাসনামলের বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহের স্মৃতি সংরক্ষণ করে এ জাদুঘর গড়ে তোলা হয়েছে।
জাদুঘরে স্থান পেয়েছে ২০২৪ সালের আন্দোলনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ আলোকচিত্র, দুর্লভ দলিল, শহিদ ও আহতদের ব্যবহৃত সামগ্রী, আন্দোলনের ব্যানার, প্ল্যাকার্ডসহ নানা স্মারক। পাশাপাশি গত ১৭ বছরের রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনাপ্রবাহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তও সংরক্ষণ করা হয়েছে।
বিশেষ অতিথি ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের জন্য ৫ আগস্ট জাদুঘরটি সংরক্ষিত থাকলেও, ৬ আগস্ট থেকে এটি সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।




