সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন জানায়, ইসরাইলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্ট এবং ইসরাইলি বিমানবাহিনীর একটি এয়ারবোর্ন রেসকিউ ইউনিটসহ সামরিক বাহিনীর এলিট ইউনিটগুলোকে দক্ষিণ আজারবাইজানে পাঠানো হয়েছিল। এই এলাকাটি ইরান সীমান্ত সংলগ্ন এবং ইরানের তাবরিজ শহর থেকে মাত্র ১০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মোতায়েন করা এই সদস্যরা মূলত ড্রোন অপারেশন পরিচালনা এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের কাজ করেছেন।
সিএনএনের এক সূত্রের দাবি, আজারবাইজানের ভূখণ্ড ব্যবহার করে চালানো একটি অভিযানে গত ৪ মার্চ ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) বিশেষ গোয়েন্দা কার্যক্রম বিভাগের প্রধান রহমান মোগাদ্দামকে হত্যা করা হয়।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ইরানের ওপর নজরদারি এবং কৌশলগত সুবিধা নিতেই মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার এসব অঞ্চলে নিজেদের উপস্থিতি জোরদার করেছিল ইসরাইল। তবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো কিংবা ইসরাইল সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।





