ঈদুল আজহার উপলক্ষে একটু কম দামে কোরবানির পশু খুঁজতে নাজেহাল অবস্থায় পড়ছেন ইরাকি ক্রেতারা। ইরাকি বাজারে সাধারণত স্থানীয় ভেড়া ও দুম্বার চাহিদা সবচেয়ে বেশি। একটি মাঝারি আকারের ভেড়ার দাম ৫ থেকে সাত লাখ ইরাকি দিনার। বড় আকারের গরু বা মহিষের দাম কয়েক মিলিয়ন দিনার ছাড়িয়ে গেছে।
ইরাকি ক্রেতাদের একজন বলেন, ‘যেই ভেড়া আগে ২ লাখ ইরাকি দিনারে কেনা যেতো এখন সেটির দাম ৬ লাখ দিনার। ৪ লাখ দিনার নিয়ে এসে হাটে ঘুরছি।’
আরও পড়ুন:
স্থানীয় বাজারের তথ্য অনুযায়ী, পশুখাদ্যের উচ্চমূল্য , আমদানি করা পশুর স্বল্পতা এবং পর্যাপ্ত সরকারি পশুখাদ্য সরবরাহ না থাকায় এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। খামারিরা বলছেন, পশুখাদ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় পশু লালন-পালনের খরচ বেড়েছে অনেকগুণ।
খামারিদের একজন বলেন, ‘পশুখাদ্যের দাম বাড়ায় কোরবানি পশুর দাম এবার বাড়তি। এছাড়া, পশুখাদ্যের সরবরাহেও ঘাটতি রয়েছে।’
এদিকে, দীর্ঘস্থায়ী খরা ও পানির সংকটে কমছে চারণভূমি। যা সংকটে ফেলেছে পশু লালন-পালনেও। পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে পশু আমদানি কমে যাওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মেটাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
আকাশছোঁয়া দামের কারণে অনেক মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবার এককভাবে কোরবানি দিতে পারছে না । ভাগে কোরবানি দেয়া এবং ছোট পশু কেনার দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। ইরাকের বিভিন্ন শহর যেমন বাগদাদ, বসরা এবং নাজাফের কোরবানির হাটগুলোতে স্থানীয় প্রশাসন দাম নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও বাজারের ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে।





