নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেয়া এক পোস্টে ট্রাম্প জানিয়েছেন, পোল্যান্ডের রক্ষণশীল প্রেসিডেন্ট ক্যারল নাওরোকির গত বছরের নির্বাচনে জয়ী হওয়া তার এই সিদ্ধান্তের মূল কারণ। ট্রাম্প গত নির্বাচনে নাওরোকিকে সমর্থন দিয়েছিলেন। মূলত মিত্র দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি এই বড় সামরিক পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন। পেন্টাগন এই বিষয়ে মন্তব্যের জন্য হোয়াইট হাউসের দিকে ইঙ্গিত করলেও সেখান থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে পোল্যান্ড ক্রমাগত রাশিয়ার হুমকির মুখে রয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য এই দেশটির আকাশসীমা লঙ্ঘন করা রুশ ড্রোন ভূপাতিত করতে পোলিশ ও ন্যাটো বাহিনীকে বেশ কয়েকবার তৎপর হতে হয়েছে। এছাড়া চলতি সপ্তাহে তিন পোলিশ নাগরিককে গ্রেপ্তারের খবরও পাওয়া গেছে, যারা মস্কোর হয়ে গোয়েন্দাগিরি এবং নাশকতার পরিকল্পনা করছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। রাশিয়ার এই ক্রমবর্ধমান উসকানি মোকাবিলায় অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্তকে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বর্তমানে কাউন্সিল অন ফরেন রিলেশনসের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ইউরোপে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ৮০ হাজার সেনা মোতায়েন রয়েছে। এর মধ্যে পোল্যান্ডে বর্তমানে সেনাসদস্যের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি মার্কিন সেনা রয়েছে জার্মানিতে, যার সংখ্যা ৩৮ হাজারেরও বেশি। পোল্যান্ডে নতুন করে ৫ হাজার সেনা যুক্ত হলে সেখানে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে, যা ওই অঞ্চলের নিরাপত্তা সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।





