
ইরানে হামলার বিষয় ‘গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন’ ট্রাম্প
বিক্ষোভকারীদের হত্যার অভিযোগে ইরানে হামলার কথা ‘গুরুত্ব দিয়ে ভাবছেন’ ট্রাম্প। কীভাবে হামলা করা যায়, সে বিষয়ে ট্রাম্পকে ব্রিফ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নেতানিয়াহুর সঙ্গে গোপন ফোনালাপও সেরেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক রুবিও। সূত্রের বরাত দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস ও অ্যাক্সিওস-সহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে ওঠে এসেছে এসব তথ্য। এতে ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যে যুদ্ধের দামামা বেজে ওঠার শঙ্কা বাড়ছে।

গ্রিনল্যান্ড আক্রমণে পরিকল্পনার নির্দেশ ট্রাম্পের
এবার গ্রিনল্যান্ড আক্রমণের পরিকল্পনার ছক আঁকতে স্পেশাল ফোর্সের কমান্ডারদের নির্দেশ দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাজ্য ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইল এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

গ্রিনল্যান্ড দখলের বাসনা, ট্রাম্পকে ঘিরে কী ভূ-রাজনৈতিক ঝড় আসছে?
গ্রিনল্যান্ড পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দ্বীপ। যার আয়তন যুক্তরাজ্যের ৯ গুণ এবং জার্মানির ৬ গুণ। জনসংখ্যা মাত্র ৫৭ হাজার। আর্কটিক অঞ্চলে অবস্থিত দ্বীপটি ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত ভূখণ্ড। যা খনিজ সম্পদ সমৃদ্ধ এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

ভেনেজুয়েলার তেলে নজর ট্রাম্পের, অনাগ্রহ মার্কিন বিনিয়োগকারীদের
ভেনেজুয়েলার তেলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠায় ১০০ বিলিয়ন ডলার খরচের কথা বললেও, মার্কিন তেল কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে তেমন একটা সাড়া পাননি ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে তারা বলেছেন, ভেনেজুয়েলায় এখনও বিনিয়োগ করার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। যদিও, তাদের নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দিতে চান ট্রাম্প। এদিকে ভেনেজুয়েলা থেকে ছেড়ে যাওয়া আরও একটি তেলবাহী ট্যাঙ্কার জব্দ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এমন পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিকের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে করাকাস।

সামরিক বাজেট ৫০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব ট্রাম্পের
২০২৭ সালের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাজেট ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে দেড় লাখ কোটি ডলার করার প্রস্তাব দিয়েছেন ট্রাম্প।

গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন ট্রাম্প
গ্রিনল্যান্ড কেনার বিষয়ে মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে এরইমধ্যে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট।

ভেনেজুয়েলায় হামলা: এক-তৃতীয়াংশ মার্কিনির সমর্থন
রয়টার্সের জরিপ
সম্প্রতি রয়টার্সের এক জরিপে দেখা গেছে, ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলাকে সমর্থন করছেন দেশটির এক-তৃতীয়াংশ জনগণ। রিপাবলিকানদের ৬৫ শতাংশ ট্রাম্পের নির্দেশিত সামরিক অভিযানকে সমর্থন করেন। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের পশ্চিম গোলার্ধে আধিপত্য বিস্তারের নীতি থাকা উচিত, এমন মনোভাবের সঙ্গে একাত্মতা জানিয়েছেন অনেক রিপাবলিকান।

ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে: ট্রাম্প
ভেনেজুয়েলার অপরিশোধিত তেল এবং জ্বালানি বোঝাই প্রায় এক ডজন ট্যাঙ্কারের দেশের জলসীমা ত্যাগ করার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, নতুন বছরের শুরু থেকেই শনিবারের অভিযানের আগ পর্যন্ত তেল পরিবহনের এমন তথ্য পাওয়ায় যায়। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ভেনেজুয়েলার তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। চীনসহ ভেনেজুয়েলার বৃহত্তম গ্রাহকরা তেল পেতে থাকবে বলেও জানান ট্রাম্প।

ভেনেজুয়েলায় হামলার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেছেন ট্রাম্প
টিভি শো-এর মতো শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভেনেজুয়েলায় মার্কিন অভিযান সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে আরেকটি দেশে হামলা চালিয়ে সেই দেশের প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীসহ যুক্তরাষ্ট্রে তুলে নেয়ার ঘটনাকে আন্তর্জাতিক আইনের সরাসরি লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করেছেন মার্কিন আইন বিশেষজ্ঞরাই। অবিলম্বে মাদুরোকে ছেড়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে চীন। নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানিসহ বিভিন্ন দেশের নেতারাও এ হামলার নিন্দা জানিয়েছেন। এমনকি হোয়াই হাউজের সামনে থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রধান প্রধান সড়কে ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ করেছে হাজার হাজার মানুষ।

ভেনেজুয়েলা পরিচালনার ঘোষণা ট্রাম্পের, ভূরাজনীতিতে নতুন মোড়
এক রুদ্ধশ্বাস ও ঝটিকা সামরিক অভিযানের মধ্য দিয়ে অবসান ঘটল ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর (Nicolas Maduro) এক যুগের শাসনের। গতকাল (শনিবার, ৩ জানুয়ারি) ভোরের আলো ফোটার আগে মার্কিন ডেল্টা ফোর্স (Delta Force) কারাকাসের প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে হানা দিয়ে মাদুরো ও তার স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে। এই হামলার কয়েক ঘণ্টা পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ঘোষণা করেছেন, এখন থেকে ভেনেজুয়েলা পরিচালনা করবে যুক্তরাষ্ট্র এবং দেশটির তেলের খনিগুলো মার্কিন কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

বাসচালক থেকে হোয়াইট হাউসের ‘চক্ষুশূল’: নিকোলাস মাদুরোর অবিশ্বাস্য উত্থানের গল্প
ভেনেজুয়েলার রাজনীতিতে নিকোলাস মাদুরো এক রহস্যময় এবং শক্তিশালী চরিত্র। অধিকাংশ রাষ্ট্রনেতা যখন উচ্চশিক্ষা বা আভিজাত্যের পথ ধরে ক্ষমতায় আসেন, মাদুরো সেখানে এক ব্যতিক্রমী নাম। এক সময়ের সাধারণ বাস চালক থেকে আজ তিনি বিশ্ব রাজনীতির এক প্রবল প্রতিপক্ষ। বামপন্থী নেতা হুগো শ্যাভেজের (Hugo Chavez) হাত ধরে রাজনীতিতে আসা এই নেতা এখন আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিম পাড়ে অবস্থিত শক্তিধর প্রতিবেশী রাষ্ট্র যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক বিশাল মাথাব্যথার কারণ। তার জীবন শুরু হয়েছিল কারাকাসের রাস্তায় বাস চালানোর মধ্য দিয়ে, আর শেষ পর্যন্ত তিনি আসীন হন দেশটির প্রেসিডেন্সিয়াল প্যালেসে।

নাইজেরিয়ায় বিমান হামলা: ট্রাম্পের দাবি নিয়ে স্থানীয়দের বিপরীতমুখী অবস্থান
নাইজেরিয়ায় বিমান হামলার পর ট্রাম্প একে 'খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের হত্যার প্রতিশোধ' বলে দাবি করলেও ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দারা বলছেন, হত্যা তো দূরের কথা এ অঞ্চলে কখনোই খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলা হয়নি। সেখানে কখনোই কখনোই ইসলামিক স্টেট বা আইএসের ঘাঁটি ছিল না বলে দাবি তাদের। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ এলাকায় এই আক্রমণ ঘিরে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।