ট্রাম্পের সফর উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় নৈশভোজে যখন উদযাপনের আবহ, তখনও চীনা প্রেসিডেন্টের সতর্কবার্তা, ওয়াশিংটন বেইজিং সম্পর্কের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ ইস্যু তাইওয়ান।
তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ দাবি করে চীন। আর,এই অঞ্চল নিয়ে ওয়াশিংটনের মাথাব্যথাকে কখনোই ভালো চোখে দেখে না বেইজিং। চীনের দাবির বিষয়ে মুখ না খুললেও তাইপের প্রতিরক্ষায় সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র। জানা গেছে, তাইওয়ানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির চুক্তির বিষয় নিয়েও জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের আলোচনা হয়েছে।
আরও পড়ুন:
এমন প্রেক্ষাপটে গোটা বিশ্বের নজর যখন শি-ট্রাম্প বৈঠকে, তখন স্পষ্ট এক বার্তা দিলো তাইওয়ান। দুই রাষ্ট্রপ্রধানের আলোচনায় তাইওয়ান ইস্যু যে গুরুত্ব পাবে এ নিয়ে সংশয়ের অবকাশ নেই। তাই, ট্রাম্পের চীন সফরের প্রথম দিনেই কিনমেন কাউন্টিতে একটি লাইভ-ফায়ারিং এর মহড়া চালিয়েছে তাইপে। শত্রুপক্ষ দ্বীপে অবতরণ করার চেষ্টা করলে কীভাবে প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করা হবে, মূলত সেটিই ছিল এই মহড়ার মূল লক্ষ্য।
তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকাশিত সামরিক সংবাদ মাধ্যম 'ইউথ ডেইলি নিউজ' জানিয়েছে, কিনমেন বিমানবন্দরের কাছে এই মহড়াটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে জ্যাভলিন মিসাইল, হাউইটজার কামান, এম৬০এ৩ ট্যাঙ্ক এবং সিএম২১ সাঁজোয়া যান ব্যবহার করা হয়েছে।
রণক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা বাড়াতে এবং বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে সমন্বয় যাচাই করতে এই মহড়ায় গোলন্দাজ ব্যাটালিয়ন, ট্যাঙ্ক ব্যাটালিয়ন এবং উভচর প্লাটুনসহ বিভিন্ন ইউনিট অংশ নেয়।





