প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ অথবা কবে নাগাদ তিনি পদ ছাড়বেন, সেই সময়সীমা ঘোষণার দাবিতে মিয়াত্তাহর সঙ্গে যোগ দিয়েছেন লেবার পার্টির ৭০ জনের বেশি এমপি।
মন্ত্রিসভার বৈঠকে স্টারমার গত কয়েক দিনের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে ‘অস্থিতিশীল’ হিসেবে বর্ণনা করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে, স্টারমার মন্ত্রীদের বলেছেন, ‘নির্বাচনের ফলের দায় আমি নিচ্ছি এবং আমরা যে পরিবর্তনের প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তা বাস্তবায়নের দায়িত্বও আমার।
গত ৪৮ ঘণ্টা সরকারের জন্য অস্থিতিশীল ছিল, যার প্রকৃত অর্থনৈতিক মূল্য দেশ ও প্রতিটি পরিবারকে দিতে হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করার জন্য লেবার পার্টির একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া আছে, যা এখনো শুরু হয়নি। তাই দেশ আশা করে আমরা দেশ পরিচালনা করবো এবং আমি ঠিক সেটিই করছি।’
গত সপ্তাহের নির্বাচনে লেবার পার্টির শোচনীয় পরাজয় কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বের ওপর বড় ধরনের প্রশ্ন তুলেছে। গতকাল (সোমবার, ১১ মে) রাতে সরকারের ছয়জন সংসদীয় ব্যক্তিগত সচিব (পিপিএস) পদত্যাগ করার পর ডাউনিং স্ট্রিট দ্রুত সেখানে নতুন মুখ নিয়োগ দিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করে। তবে দলের অভ্যন্তরে বিভক্তি ও অসন্তোষ যেভাবে বাড়ছে, তাতে স্টারমারের প্রধানমন্ত্রিত্ব বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।





