প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, নিবিড় পরিদর্শনে দ্বীপের তেল মজুত ট্যাংক, পাইপলাইন, জাহাজ ভেড়ানোর জেটি বা চলাচলকারী কোনো ট্যাংকার থেকে তেল চুইয়ে পড়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তিনি আরও জানান, সামুদ্রিক দূষণ পর্যবেক্ষণকারী আঞ্চলিক সংস্থা ‘মেরিন ইমার্জেন্সি মিউচুয়াল এইড সেন্টার’ (মেম্যাক) ওই এলাকায় এ ধরনের কোনো লিকেজের চিহ্ন পায়নি।
ইরানের ওই কর্মকর্তা দাবি করেন, খবরটি প্রচার হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট কারিগরি দল একাধিকবার সরেজমিন পরিদর্শন ও ল্যাবরেটরি পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এসব পরীক্ষায় তেলের ‘ন্যূনতম চিহ্নও’ মেলেনি বলে তিনি নিশ্চিত করেন।





