দু'মাস হতে চলল ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ পরিস্থিতি। গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী এখনও বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়ে জ্বালানি তেলের দাম বেড়েই যাচ্ছে। এমতাবস্থায় অচিরেই হরমুজ প্রণালী খুলে না দিলে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দারও আশঙ্কা করছে বিশ্লেষকরা। অথচ অর্থনৈতিক এ ক্ষতির মধ্যেও নিজেদের অবস্থানে অনড় রয়েছে এ দু'দেশ। এরিমধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ইরানের সঙ্গে আবার যুদ্ধ শুরু করার প্রয়োজন হতে পারে।
এসময় ট্রাম্প আরও বলেন, ইরান একটি সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী। তবে যুদ্ধ শেষ পর্যন্ত কবে থামবে সে বিষয়ে নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি। অবশ্য এ সংকটের সমাধান হলেই বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমে আসবে বলেও দাবি করেন তিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, সম্ভবত আমি করব। কেন করবো না? ইতালি আমাদের কোন ধরণের সাহায্য করে নাই। আর স্পেনের অবস্থা আরো ভয়াবহ। ইরান ইস্যুতে যখন তাদেরকে আমার দরকার ছিলো আমরা তাদের থেকে কোন সাহায্য পাই নি। আমরা এটা মনে রাখবো। যত দ্রুত এ যুদ্ধ শেষ হবে তত দ্রুতই পেট্রোল ও তেলের দাম কমবে
এদিকে, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে আক্রমণ করলে, জবাবে দীর্ঘ ও কঠোর আঘাত হানবে তেহরান। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, ওয়াশিংটনের হামলা চালালে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালাবে তেহরান। এদিকে, বন্দরগুলোতে অবরোধের মধ্য দিয়ে ওয়াশিংটন তাদের সামরিক অভিযান সম্প্রসারণ করছে বলে অভিযোগ ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের। এই ধরনের অবরোধ কোনভাবেই সহ্য করবে না বলেও হুশিয়ারি জানিয়েছেন তিনি।
উদ্ভূত এ পরিস্থিতিতে ইরান যুদ্ধে নিয়োজিত মার্কিন সেনাদের সরিয়ে নেয়ার লক্ষ্যে ডেমোক্র্যাটদের আনা একটি প্রস্তাব নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত এক ভোটাভুটিতে এ প্রস্তাবটি বাতিল হয়ে যায়। এটি এমন এক সময়ে হলো, যার পরদিনই অর্থাৎ স্থানীয় সময় শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার ক্ষমতার ওপর একটি আইনি বাধ্যবাধকতার সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে।





