পার্লামেন্ট-অধিভুক্ত সংবাদ সংস্থা আইসিএএনএ-কে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সালিমি জানান, হামলার ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এবং দায়ীদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে ইরান তিন স্তরের একটি বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। তিনি বলেন, ‘অবকাঠামো ধ্বংসের ক্ষতিপূরণ আদায় করা তেহরানের অন্যতম প্রধান দাবি, তবে ইরানের এই পদক্ষেপ কেবল আর্থিক দাবির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।’
সালিমি তার পরিকল্পনার প্রথম ধাপে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে ‘আগ্রাসী’ শক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘যদি আইনি পথে কোনো কাজ না হয়, তবে দ্বিতীয় ধাপে হামলার জন্য দায়ী পক্ষগুলোর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সম্পদ বা অ্যাসেট জব্দ করে ক্ষতিপূরণ আদায় করবে ইরান।’
আরও পড়ুন:
চূড়ান্ত পদক্ষেপ সম্পর্কে সালিমি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘যদি আইনি ব্যবস্থা বা সম্পদ জব্দ করার মাধ্যমেও কোনো ফল না আসে, তবে ইরান সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি নিশ্চিত করতে সরাসরি পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’
বিবৃতিতে সালিমি যুক্তরাষ্ট্রকে আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী একটি ‘শত্রু রাষ্ট্র’ হিসেবে গণ্য করার আহ্বান জানান। তিনি দাবি করেন, সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘনের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এই পরিচয় নিশ্চিত করেছে। এ ছাড়া যেসব দেশ হামলাকারীদের নিজেদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে, তাদেরও অপরাধের সহযোগী হিসেবে গণ্য করে আইনি প্রক্রিয়ায় আনা হবে বলে জানান তিনি।





