জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অনিক দেব জানান, সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেড়শ জনের মতো হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকেরই হাত ও পায়ে একাধিক সেলাই দিতে হয়েছে। মূলত কোরবানির পশু জবাই ও মাংস কাটতে গিয়ে তারা আহত হয়েছেন। তবে কারও অবস্থাই গুরুতর নয়। সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।
জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. রতন কুমার ঢালী জানান, ঈদের দিনেও জরুরি বিভাগে অতিরিক্ত রোগীর চাপ ছিল। চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া জরুরি প্রয়োজনে সার্জারি বিভাগের কনসালটেন্ট ও সার্জন এবং অপারেশন থিয়েটারও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।





