মোত্তাকি বলেন, ‘আলোচনার টেবিলে বসার ব্যাপারে আমার কোনো আপত্তি নেই। তবে আমাদের আরও গভীরভাবে ভেবে দেখা উচিত ছিল যে কীভাবে এগোতে হবে।’ তিনি জানান, প্রথম দফার আলোচনার পরই ডোনাল্ড ট্রাম্প বাইরে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধের বিষয়ে ‘ফিসফাস’ শুরু করেছিলেন। অথচ ন্যাটোতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ম্যাট হুইটেকার আলোচনার সময় বিষয়টি তোলার ‘সাহস’ পাননি।
আরও পড়ুন:
ইরানের সাবেক এই পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা যদি বুঝতে পারতাম যে তাদের চূড়ান্ত দাবি হলো ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করা, তবে স্বাভাবিকভাবেই তাদের সঙ্গে আলোচনার কোনো মানে হতো না। কারণ, এই বিষয়টি মৌলিকভাবে আমেরিকার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।’
তেহরানের দাবি, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি কেবলই বেসামরিক ও শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে এবং এই অধিকার কোনো বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের বিষয় হতে পারে না। অন্যদিকে ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, দীর্ঘমেয়াদি শান্তি চুক্তির জন্য ইরানকে অবশ্যই ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ থেকে সরে আসতে হবে। এই বিপরীতমুখী অবস্থানের কারণে চলমান সংকট নিরসনের পথ আরও জটিল হয়ে পড়ছে।





