প্রতিবেদন অনুযায়ী, এসব জাহাজের মধ্যে ৩১টি তেলের ট্যাঙ্কার এবং ২১টি পণ্যবাহী কার্গো জাহাজ রয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান বনাম যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ২ মার্চ হরমজ প্রণালি বন্ধের ঘোষণা দেয় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। এর পরিপ্রেক্ষিতেই মার্কিন নৌবাহিনী ইরানি জলসীমায় অবরোধ আরোপ করে।
সংঘাতের শুরু থেকেই ইরান ও তার প্রতিপক্ষ দেশগুলোর মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে ইসরাইলি ভূখণ্ডে হামলা এবং পুরো অঞ্চল জুড়ে থাকা মার্কিন স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলোতে তেহরানের পক্ষ থেকে বড় ধরনের আক্রমণ চালানো হয়।
যুদ্ধ পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি ঘোষিত হয়। পরবর্তীতে ১১ এপ্রিল ইসলামাবাদে শান্তি আলোচনা শুরু হলেও কোনো চূড়ান্ত সমঝোতা ছাড়াই তা শেষ হয়। গত ২১ এপ্রিল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারীদের অনুরোধে এবং ইরানের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব না আসা পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। তবে এই বিরতির মধ্যেই সমুদ্রপথে ইরানের এমন তৎপরতা নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করতে পারে।





