ইরানি পার্লামেন্টের দ্বিতীয় ডেপুটি স্পিকার আলী নিকজাদ আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা মেহের নিউজকে বলেন, ‘আমরা কোনোভাবেই হরমুজ প্রণালিকে তার আগের স্থিতাবস্থায় ফিরিয়ে দেব না। কারণ এটি খোদ ইসলামি বিপ্লবের নেতার (সুপ্রিম লিডার) পক্ষ থেকে আসা একটি আদেশ।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধ শুরুর পর থেকেই হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছে তেহরান। পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে গত ১৩ এপ্রিল ইরান উপকূলে নৌ-অবরোধ আরোপ করে ওয়াশিংটন।
উভয় পক্ষের এই অনড় অবস্থানের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে বিশেষ করে এশিয়ার দেশগুলোতে।
সংকট নিরসনে দুই সপ্তাহ আগে ইসলামাবাদে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমঝোতায় পৌঁছাতে পারেনি পক্ষ দুটি।
উল্লেখ্য, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় গত ৮ এপ্রিল থেকে দুই সপ্তাহের একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা পরবর্তীতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প অনির্দিষ্টকালের জন্য বৃদ্ধি করেন। বর্তমানে নতুন দফায় আলোচনার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।





