প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মাইনসুইপার জাহাজটির সঙ্গে একটি কমান্ড ও সাপ্লাই জাহাজও পাঠানো হবে।’ তবে জাহাজগুলো ঠিক কবে রওনা হবে, সে বিষয়ে তিনি সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি। সংবাদ সংস্থা ডিপিএ জানায়, বরিস পিস্টোরিয়াস এই অভিযানের জন্য তিনটি পূর্বশর্তের কথা উল্লেখ করেছেন—যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে একটি টেকসই যুদ্ধবিরতি থাকতে হবে, আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে একটি আইনি কাঠামো তৈরি করতে হবে এবং জার্মানির পার্লামেন্ট বুন্দেসটাগের অনুমোদন পেতে হবে।
আরও পড়ুন:
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত কয়েক দিন ধরে ন্যাটো মিত্রদের কড়া সমালোচনা করে আসছেন। তার অভিযোগ ছিল, ইরান অভিযানে এই দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলকে পর্যাপ্ত সহায়তা করেনি। এই প্রেক্ষাপটে জার্মানির এই উদ্যোগ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
সাক্ষাৎকারে পিস্টোরিয়াস ন্যাটোর ভেতরে মাইন অপসারণে জার্মানির অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন,‘এই নির্দিষ্ট খাতে ঐতিহাসিকভাবেই তার দেশ নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে আসছে।’





