আজ (মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল) মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি ঘিরে বর্তমানে প্রচুর তৎপরতা এবং মারাত্মক বিভ্রান্তি বিরাজ করছে।’ তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা সব পক্ষকেই সম্মান করতে হবে।’
ডুজারিক জানান, বর্তমান অচলাবস্থার ফলে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে বিশ্বের ১০ থেকে ১২ শতাংশ সারের চালান এই জলপথে আটকে আছে, যার ফলে তেলের পাশাপাশি সারের দামও অনেক বেড়ে গেছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই পরিস্থিতির কারণে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাগুলোর জন্য ত্রাণ ও সম্পদ সংগ্রহ এবং জরুরি পরিকল্পনা গ্রহণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
আরও পড়ুন:
জাতিসংঘের পক্ষ থেকে আবারও স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়েছে যে, ‘এমন কোনো সামরিক উদ্দেশ্য নেই যা বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা বা সাধারণ জনগণের ওপর সুপরিকল্পিতভাবে কষ্ট চাপিয়ে দেয়াকে সমর্থন করে।’
উল্লেখ্য, হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের পাল্টাপাল্টি নৌ-অবরোধ ও কড়াকড়ির ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিশ্বসংস্থার প্রধানের এই আহ্বান অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।




