৪১ বছর বয়সী জেডি ভ্যান্সের জন্য এটি হবে তার রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম বড় মুহূর্ত। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতে তিনি বেশ আড়ালেই ছিলেন। তবে আগামী শনিবার ইসলামাবাদে আলোচনা শুরু হলে ২০২৮ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে শীর্ষ প্রতিদ্বন্দ্বীদের একজন হিসেবে বিবেচিত জেডি ভ্যান্সকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড স্কুল অব পাবলিক পলিসির অধ্যাপক ও যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতিতে ভাইস প্রেসিডেন্টের ভূমিকা নিয়ে বিশেষজ্ঞ অ্যারন উলফ মানেস এএফপিকে বলেন, ‘ভাইস প্রেসিডেন্টকে এ ধরনের আনুষ্ঠানিক আলোচনার নেতৃত্ব দিতে আমি আগে দেখিনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এটি উচ্চ ঝুঁকি এবং উচ্চ পুরস্কারের একটি বিষয়।’
প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভ্যান্স নিজের রাজনৈতিক অবস্থান গড়ে তুলেছিলেন স্পষ্টভাবে যুদ্ধবিরোধী হিসেবে, যিনি যুক্তরাষ্ট্রকে আরও বিদেশি যুদ্ধে জড়াতে দিতে চাননি। তবে ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ শুরু করার পর তার জন্য বিষয়টি ভারসাম্য রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ে।
নিউইয়র্ক টাইমস চলতি সপ্তাহে জানায়, যুদ্ধ শুরুর আগে কয়েক সপ্তাহের গোপন আলোচনায় ভ্যান্স সামরিক পদক্ষেপের বিরোধিতা করেছিলেন। তার আশঙ্কা ছিল, এতে আঞ্চলিক অস্থিরতা তৈরি হতে পারে এবং ট্রাম্পের ‘মাগা’ জোটে ভাঙন ধরতে পারে।
আরও পড়ুন:
তবে এখন ভ্যান্স নিজেকে ইরানের সঙ্গে চুক্তিতে ট্রাম্পের কূটনৈতিক সমাপ্তিকারী হিসেবে খুঁজে পাচ্ছেন। ভ্যান্সের সঙ্গে থাকবেন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জারেড কুশনার।
ভাইস প্রেসিডেন্টকে এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দিতে দেয়ার একটি ব্যাখ্যা হলো, যুদ্ধের বিরোধিতার জন্য ব্যাপকভাবে আলোচিত হওয়ায় ইরানিরা তাকে কূটনীতির জন্য তুলনামূলকভাবে বেশি সম্ভাব্য অংশীদার হিসেবে দেখতে পারে।
মানেস বলেন, ‘তিনি যদি বড় বাস্তব সমস্যায় না গিয়ে বিষয়টিকে আড়াল করার মতো কিছু করতে পারেন, সেটাই সম্ভবত যথেষ্ট হবে।’
তবে এতে কিছু ভালো ফল না এলে তার সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে, যা নির্বাচনি রাজনীতিতেও সহায়ক হবে না। আর অবশ্যই রুবিওও ২০২৮ সালের সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে আছেন।


-320x167.webp)


