১৫ দফা যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনার পূর্ণ বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি। তবে এতে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র না রাখার অঙ্গীকার, সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর, তেহরানের প্রতিরক্ষা সক্ষমতার ওপর সীমা, আঞ্চলিক প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর অবসান এবং হরমুজ প্রণালি আবার খুলে দেয়ার বিষয় থাকতে পারে বলা হয় প্রতিবেদনে।
আঞ্চলিক দুই সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, আলোচনায় ইসরাইলের অস্তিত্বের অধিকার স্বীকারের বিষয়ও রয়েছে।
ইরান এর আগে ১৫ দফা পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছিল। গত সোমবার এক কর্মকর্তা এই দাবিগুলোকে ‘অত্যন্ত বেশি, অবাস্তব ও অযৌক্তিক’ বলে বর্ণনা করেন। তবে মার্চের শেষ দিকে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, তেহরান ‘বেশির ভাগ’ শর্ত মেনে নিয়েছে।
হোয়াইট হাউস এখনো ইরানের ১০ দফা প্রস্তাবে কী আছে, তা বিস্তারিত জানায়নি। তবে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদ পরিকল্পনার প্রধান অংশগুলো তুলে ধরেছে।
আরও পড়ুন:
সিএনএন ইরানি কর্মকর্তাদের কাছ থেকে ওই বিবৃতি পেয়েছে। ইরানের একাধিক রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমও তা প্রকাশ করেছে।
প্রস্তাবে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণ, ইরান ও তার আঞ্চলিক প্রক্সি বাহিনীর ওপর হামলা বন্ধ, অঞ্চল থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহার, ইরানকে ক্ষতিপূরণ, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও জব্দ সম্পদ মুক্ত করার কথা রয়েছে। চূড়ান্ত শান্তিচুক্তি নিশ্চিত করতে বাধ্যতামূলক জাতিসংঘ প্রস্তাবের দাবিও এতে আছে।
ফারসি ও ইংরেজি—দুই ভাষায় ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়ানো নিরাপত্তা পরিষদের বিবৃতির সংস্করণে আরও বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র নীতিগতভাবে ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণের অধিকার মেনে নিতে রাজি হয়েছে।
ইরানের ভারতে অবস্থিত দূতাবাসও তার যাচাইকৃত এক্স অ্যাকাউন্টে ১০ দফার যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতেও সমৃদ্ধকরণ মেনে নেয়ার কথা বলা হয়েছে।
সিএনএন এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের ও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিক্রিয়া জানতে যোগাযোগ করেছে।
এএফপিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের ইউরেনিয়াম ‘‘পুরোপুরি নিষ্পত্তি’’ করা হবে, নইলে তিনি এ চুক্তিতে রাজি হতেন না।





