ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের চলমান যুদ্ধে সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি খাতে। বিশ্বের মোট জ্বালানি তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালির ওপর নির্ভরশীল। এই প্রণালি অবরোধ করে বিশ্ব অর্থনীতিকে অনেকটা কোণঠাসা করে ফেলেছে ইরান। উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানির কার্যত এখন তেহরানের হাতে।
যুদ্ধের প্রভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ছোট শহরগুলোতে জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বেড়েছে বহুগুণ। এতে বাড়ছে তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান পদক্ষেপ নিয়ে মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে বিভক্তি।
আরও পড়ুন:
তবে বৈশ্বিক ভূ-রাজনীতির বড় ধরনের পরিবর্তন যুক্তরাষ্ট্র মোকাবিলা করতে প্রস্তুত বলে জানান পেন্টাগনের নীতি নির্ধারক এলব্রিজ কোলবি। তার মতে, ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইতিহাস অনেক সংঘাতময় ও বিপজ্জনক হয়ে থাকে।
এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধে মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে যুক্তরাজ্যের বাসিন্দারা। তাদের সহায়তায় সুপারমার্কেট ও ব্যাংকগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রী। পার্লামেন্টে তিনি বলেন, নির্দিষ্ট কিছু কৃষি ও খাদ্য পণ্যে শুল্ক হার কমানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অতি প্রয়োজনীয় পণ্যগুলোকে অগ্রাধিকার দেয়া হচ্ছে।
শুধু ইরান নয়, লেবাননেও হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরাইলি বাহিনী। এরইমধ্যে একটি প্রতিরক্ষামূলক বলয় তৈরির জন্য দক্ষিণ লেবাননের একটি বড় অংশ দখলের ঘোষণা দিয়েছেন ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী। এতে দেশটির প্রায় ১০ ভাগের এক অংশ ইসরাইলের দখলে যাবে। এমন অবস্থায় নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তায় লেবানিজরা।
লেবানন কর্তৃপক্ষের তথ্য মতে, রাজধানী বৈরুত ও দক্ষিণ লেবাননের কিছু অংশে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে ইসরাইলিরা। প্রাণহানি হাজারের ওপর। বাস্তুচ্যুত ১০ লাখের বেশি মানুষ।





