এক্সে দেয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালি ‘পুরোপুরি খোলা’ না হলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে হামলা চালানো হবে।
কালিবাফ বলেন, ‘ইরানি স্থাপনায় হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যের অবকাঠামো ‘‘বৈধ লক্ষ্যবস্তুতে’’ পরিণত হবে।’ এতে জ্বালানির দাম আরও বাড়বে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
আরও পড়ুন:
এর আগে দিনে ইরানের খাতাম আল-আনবিয়া সামরিক কমান্ড সদর দপ্তর সতর্ক করে বলেন, ‘ইরানের জ্বালানি ও শক্তি স্থাপনাগুলোতে হামলা অব্যাহত থাকলে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি, তথ্যপ্রযুক্তি ও লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ অবকাঠামো তেহরানের লক্ষ্যবস্তু হবে।’
সামরিক কমান্ডের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইব্রাহিম জোলফাকারি বলেন, ‘শত্রুপক্ষ যদি ইরানের জ্বালানি ও শক্তি অবকাঠামোয় হামলা চালায়, তাহলে অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও শাসকগোষ্ঠীর সব জ্বালানি অবকাঠামো, সেই সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি ও পানি বিশুদ্ধকরণ স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তু হবে।’




