ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলায় রাজি ছিল না যুক্তরাষ্ট্র: এক্সিওসের প্রতিবেদন

ইরানের তেলের ডিপোতে হামলা
ইরানের তেলের ডিপোতে হামলা | ছবি: সংগৃহীত
0

ইরানের ৩০টির বেশি জ্বালানি স্থাপনায় হামলার বিষয়ে রাজি ছিল না যুক্তরাষ্ট্র। অভিযান চালানোর আগে মার্কিন সেনা কর্মকর্তাদের জানানো হলে, তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় এই হামলার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তোলে ওয়াশিংটন। ইসরাইলি শীর্ষ কর্মকর্তার বরাতে এই তথ্য হাজির করেছে মার্কিন গণমাধ্যম এক্সিওস। তাদের প্রতিবেদনে আরও বলা হচ্ছে, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলায় নাখোশ হয়েছেন খোদ ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

ইরানের ইতিহাসে স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ অভিযানের হুঁশিয়ারি দিয়ে গেল শনিবার তেহরানের ৩০টির বেশি জ্বালানি স্থাপনা লক্ষ্য করে ভয়ংকর এক সিরিজ হামলা চালায় তেল আবিব-ওয়াশিংটন। হামলার জেরে তেল পোড়া ধোঁয়ার কুণ্ডলীতে ঢেকে যায় আকাশ। শোধনাগার থেকে ছিটকে পড়া তেল ঝড়তে শুরু করে বৃষ্টির মতো। রাস্তার দুই পাশে নদীর মতো বইতে থাকে আগুন।

তবে এমন ভয়াবহ হামলার পর চাঞ্চল্যকর এক তথ্য হাজির করেছে জনপ্রিয় মার্কিন নিউজ ওয়েবসাইট এক্সিওস। তাদের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, ইরানের জ্বালানি স্থাপনায় হামলায় সম্মতি ছিল না মার্কিন সেনা কর্মকর্তাদের।

আরও পড়ুন:

ইসরাইলি শীর্ষ কর্মকর্তার সূত্রের বরাতে এক্সিওস আরও জানিয়েছে, অক্ষশক্তিগুলোকে অর্থ সহায়তা দিতে জ্বালানি থেকে প্রাপ্ত অর্থ ব্যয় করে ইরান। যা বন্ধ করাই ছিল এই অভিযানের মুখ্য উদ্দেশ্য। কিন্তু ওয়াশিংটন বলেছিল, এই অভিযান চালানো খুব একটা বুদ্ধিদীপ্ত সিদ্ধান্ত হবে না। এক্সিওস জানিয়েছে, এই হামলার মধ্য দিয়ে ইসরাইলের বেসামরিক স্থাপনায় হামলার জবাব দিতে চেয়েছিল তেল আবিব।

কিন্তু পরে আইডিএফের চাপের মুখে অভিযানে যোগ দেয় যুক্তরাষ্ট্রও।

এখানেই শেষ নয়, ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ এক উপদেষ্টার বরাতে এক্সিওস আরও দাবি করছে, এই অভিযানের পরিকল্পনা একেবারেই ভালো লাগেনি মার্কিন প্রেসিডেন্টের। ট্রাম্পের ধারণা ছিল, এই অভিযানে বিপুল পরিমাণ তেল নষ্ট হবে যার প্রভাব পড়বে জ্বালানির বাজারে। যদিও পরে এই হামলার বিষয়ে নেতিবাচক কোনো মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউজ। বরং ট্রাম্প নিজেই বলছেন, ইরানের তেল সম্পদের ওপর নজর আছে ওয়াশিংটনের।

ইএ