তৈরি হচ্ছে সমরাস্ত্রের বহর। উত্তরাঞ্চল থেকে দক্ষিণাঞ্চলে আগ্রাসন চালাতেই এতো প্রস্তুতি। শুধু গাজা উপত্যকা নয়, লেবানন থেকে ছোড়া রকেটের জবাবে সেনা অভিযান শুরু হতে পারে প্রতিবেশি দেশটিতেও।
এরমধ্যেই, দ্বিতীয় দফার যুদ্ধবিরতি কার্যকর না হওয়ায় গোটা গাজা উপত্যকা যেন নরকে পরিণত করেছে ইসরাইলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। আজ (সোমবার, ২৪ মার্চ) সকালেই ইসরাইলি বোমা হামলায় প্রাণ গেছে বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনির। আগ্রাসন চলছে পুরোদমে।
ফিলিস্তিনিদের একজন বলেন, ‘হঠাৎ করেই তারা বললো, জায়গা ছেড়ে দিতে। এখানে টানেলও নেই, পালানোর জায়গাও নেই। পালাতে না পেরে অনেকেই মারা গেছে।’
আরেকজন বলেন, ‘এরচেয়ে বেশি কি হতে পারে? রাস্তায় থাকছি আমরা। তাঁবু ছিল আমাদের জন্য, সেটা রেখে রাস্তায় নেমেছি। পরিস্থিতির কোন পরিবর্তন নেই।’
আইডিএফের দাবি, দক্ষিণাঞ্চলের খান ইউনিসের একটি হাসপাতালে বিমান হামলায় প্রাণ গেছে গাজার নতুন প্রধানমন্ত্রী হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য ইসমাইল বারহুমের।
এর আগে ইশাম দা-লিসকেও হত্যা করে আইডিএফ। ইসমাইলকে আগে থেকেই টার্গেট করা হয়েছিল। নাসের হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল তিনি।
এদিকে, খান ইউনিসে হামাসের শিক্ষা বিষয়ক কর্মকর্তা মানার আবু খাতেরকেও হত্যা করেছে আইডিএফ। রোববার আইডিএফ'এর হামলায় প্রাণ গেছে হামাসের রাজনৈতিক শাখার আরও এক নেতার।
ইসরাইল জানায়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনও চেষ্টা করে যাচ্ছেন, কোন দেশে ফিলিস্তিনিদের পাঠানোর ব্যবস্থা করা যায় কিনা। এই লক্ষ্যে দুই দেশই কাজ করছে।
যদিও ফিলিস্তিনিদের জোরপূর্বক গাজা উপত্যকা থেকে সরানোর ইসরাইলি পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জর্ডান।
এদিকে, ইয়েমেনের সানায় আবারো বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। একজন নিহতের পাশাপাশি আহত হয়েছেন আরো বেশ কয়েকজন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এই হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তাঘাট, যানবাহনের পাশাপাশি বহু ভবন। লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলেও বিমান হামলা অব্যাহত রেখেছে আইডিএফ।