ভ্যাপসা গরমের মাঝে হুটহাট বৃষ্টি— এসব কিছু মাথায় নিয়েই কলকাতায় চিকিৎসা নিচ্ছেন বাংলাদেশিরা। আবাসন না পেয়ে সারাদিনের ক্লান্ত শরীরকে একটু স্বস্তি দিতে রাস্তার ধারের ফুটপাত ও বন্ধ দোকানের শেডের নিচে কাথা-কম্বল মুড়িয়ে শুয়ে আছেন অনেকে। প্রতিদিনই এমন মানবেতর দৃশ্যের দেখা মিলবে কলকাতার ঠাকুরপুর এলাকার ক্যান্সার হাসপাতালের সামনে।
বেশিরভাগ হোটেল-রেস্টহাউজ বন্ধ থাকায় বাংলাদেশ থেকে হাসপাতালটিতে চিকিৎসার উদ্দেশ্যে আসা রোগীর স্বজনদের মাথা গোঁজার একমাত্র ঠাঁই যেন এখন শুধুই ফুটপাত।
বৃহস্পতিবার হাসপাতাল পরিদর্শনে যান বাংলাদেশ মিশনের কর্মকর্তারা। কথা বলেন, রোগী ও তার স্বজনদের সঙ্গে। পরে মিশন কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন, বাংলাদেশিদের থাকার জন্য আশেপাশের খোলা হোটেলের তালিকা দেবে দূতাবাস। কিন্তু স্বজনদের অভিযোগ, মিশনের দেয়া তালিকায় যোগাযোগ করেও মিলছে না হোটেল।
এদিকে, রোগীর স্বজনদের সীমাহীন দুর্ভোগ দেখে উদ্বিগ্ন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও। হাসপাতালের পরিকাঠামো ও সামর্থ্য অনুযায়ী বাংলাদেশি রোগী ও তাদের স্বজনদের সাময়িক থাকার ব্যবস্থা করেছে কর্তৃপক্ষ। তবে এতেও সামাল দেয়া যাচ্ছে না আবাসন সংকট।
১৯ আগস্ট কলকাতার নিউমার্কেটে আবাসিক হোটেলে অগ্নিকান্ডে ৭ বাংলাদেশিসহ ৯ জনের মৃত্যু হয়। এরপরই লাইসেন্সবিহীন হোটেলগুলোর কার্যক্রম বন্ধে হার্ডলাইনে যায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, এখনও পর্যন্ত কলকাতায় বন্ধ প্রায় ৪ শতাধিক হোটেল।





