প্রতিদ্বন্দ্বিতাহীন তিনটি সাধারণ নির্বাচনের পর গণঅভ্যুত্থান–পরবর্তী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন নিয়ে প্রবাসীদের আগ্রহ ব্যাপক। এ নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ভোটও দিয়েছেন তারা। প্রবাসীদের ভোট টানতে রাজনৈতিক দলগুলোর উল্লেখযোগ্য প্রতিশ্রুতি না থাকলেও, নতুন সরকার নিয়ে নানা প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন তারা।
অতীতে নানা সময়ে প্রবাসীবান্ধব সরকার দাবি করা হলেও তার বাস্তবতা খুব একটা দেখা যায়নি। প্রবাস যাত্রায় পাসপোর্ট করা থেকে শুরু করে দেশে ফেরা পর্যন্ত নানা হয়রানির শিকার প্রবাসীরা। মাত্রাতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়, প্রতারিত হওয়ার পাশাপাশি মিশনগুলি থেকে অসহযোগিতা তো আছেই। তবে মালয়েশিয়া প্রবাসীদের প্রত্যাশা নির্বাচিত সরকার প্রকৃত অর্থেই এসব সমস্যা সমাধানে গুরুত্ব দিবে।
আরও পড়ুন:
মালয়েশিয়া প্রবাসীদের একজন বলেন, ‘এয়ারপোর্টে আমাদের অনেক হয়রানি হতে হয়। এছাড়াও রয়েছে টিকিটের সিন্ডিকেট। টিকিটের সিন্ডিকেট অনেক বেড়েছে। আগে যাওয়া আসা দিয়ে ১ হাজার টাকা লাগতো। এখন যাওয়ার টাকা ১ হাজার ৫০০টাকার মতো লাগছে। আমরা চাই টিকিটের যেন ন্যায্যমূল্য থাকে আমরা আসা যাওয়া আমাদের জন্য যেন আরও সহজ হয়।’
প্রবাসীরা এটিও বলছেন; আইনের সুশাসন, জবাবদিহিতা, সামাজিক নিরাপত্তা আর দুর্নীতি দমন করতে পারলেই তাদের কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হবে। তাগিদ দেন প্রবাসীদের পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিতের ওপর।
প্রবাসীদের অন্য আরেকজন বলেন, ‘বিদেশে আছি আমাদের কাজ যেমন পাসপোর্ট রিনিউ এ কাজগুলো যেন তাড়াতাড়ি করা হয়। এছাড়াও দুর্নীতিমুক্তভাবে আমাদের পরিবারের সমস্যাগুলো যেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সহজেই সমাধান করে।’
প্রথমবারের মতো ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পেয়ে অনেকে আশাবাদী হলেও, বাস্তব জীবনের নানা সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপের আশায় দিন গুনছেন প্রবাসীরা।





