সংলাপের দ্বিতীয় দিনের উদ্বোধনী অধিবেশনে অংশগ্রহণ করে তিনি মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতের মানবসম্পদ ও এমিরাতাইজেশন মন্ত্রী ড. আব্দুর রহমান আব্দুল মান্নান আল আওয়ারের সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হোন।
আবুধাবি ডায়ালগে বক্তব্য উপস্থাপনকালে ড. আসিফ নজরুল উক্ত প্লাটফর্মকে একটি নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নৈতিক শ্রম অভিবাসনের জন্য একটি বিশ্বস্ত ও কার্যকরী হিসেবে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ শ্রম প্রেরণকারী দেশ। ফলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা রেমিট্যান্স প্রেরণের মাধ্যমে নিজ দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি গন্তব্য দেশগুলোর অর্থনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। তবে কিছু কর্মী এখনও শোষণ ও অধিকার লঙ্ঘনের শিকার হচ্ছেন-যা প্রেরণকারী ও গ্রহণকারী দেশের যৌথ দায়িত্বের মাধ্যমে সমাধানযোগ্য।’
এসময় তিনি সরকারের সাম্প্রতিক উদ্যোগসমূহ তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে ১০০% ডিজিটাল ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট পোর্টাল চালু, প্রি-ডিপার্চার সহায়তা ও ওভারসিজ ওয়েলফেয়ার সার্ভিস জোরদার, দক্ষতা প্রশিক্ষণকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ এবং প্রতারণামূলক নিয়োগের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগ।
তিনি অভিবাসনের ক্ষেত্রে অভিবাসীদের নৈতিক নিয়োগ, মর্যাদাপূর্ণ কাজ ও মানবিক মর্যাদা রক্ষায় যৌথ প্রতিশ্রুতির ওপর জোর দেন।
মানবসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠককালে উপদেষ্টা দণ্ডপ্রাপ্ত ২১২ জন বাংলাদেশি প্রবাসীর প্রতি সাধারণ ক্ষমা প্রদর্শনের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা সহজীকরণের বিষয়ে মানবসম্পদ মন্ত্রীর সঙ্গে তিনি এক দীর্ঘ আলোচনা করেন।
এসময় সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা সীমিতকরণ নীতির কারণে বাংলাদেশ থেকে আমিরাতে শ্রমিক প্রবাহ কমে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমিরাতে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভিসাজনিত নানা সমস্যা মোকাবেলা করেছেন।’
বাংলাদেশিদের জন্য সকল ধরণের ভিসা জটিলতাসমূহ নিরসন করতে তিনি মানব সম্পদ মন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করেন। বিশেষ করে তিনি ফ্যামিলি ভিসা, নাবিক ভিসা ও ট্রান্সফার ভিসাজনিত সমস্যাগুলোর আশু নিরসনে তাকে বিশেষভাবে অনুরোধ জানান।





