মৌলভীবাজার জেলাটিকে সাজাতে কোনো কার্পণ্য করেনি প্রকৃতি। চা বাগানের সবুজ গালিচা, লাউয়াছড়ার প্রাণ-প্রকৃতি, হামহাম ও মাধবকুন্ড জলপ্রপাত কিংবা হাওরের অথই জল এ নিয়েই পযর্টন জেলা মৌলভীবাজার। পর্যটক মুখর এই জেলার নান্দনিক পর্যটন কেন্দ্র দেখতে দেশি-বিদেশি পর্যটকদের আনাগোনা লেগেই থাকে। প্রতিদিন দেশি-বিদেশি হাজারও পর্যটকের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে জেলার প্রতিটি পর্যটন কেন্দ্র ও দর্শনীয় স্থান।
কোটি কোটি টাকা খরচ করে নতুন আঙ্গিকে সাজিয়েছেন অনেকে ব্যবস্যা প্রতিষ্ঠান। ঈদে পর্যটক টানতে দিচ্ছেন নতুন নতুন অফার। সাজিয়ে তোলা হচ্ছে পর্যটন স্থানসহ পর্যটনের সাথে সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও হোটেল রিসোর্টগুলো। হোটেল রেস্টুরেন্টগুলোও প্রস্তুত পর্যটক বরণ করে নিতে। ব্যবসা ভালো হবে বলে আশাবাদ তাদের। ছোট বড় হোটেলগুলো ইতিমধ্যে ৫০ ভাগ থেকে শতভাগ বুকিং হয়ে গেছে। কেউ কেউ গড়ে তুলেছেন নতুন নতুন হোটেল ও রেষ্টুরেন্ট। চান্দের গাড়িগুলোকে সাজানো হচ্ছে নতুন করে।
অনেকে আগাম বুকিং পাচ্ছেন, আবার অনেকের সাথে কথাবার্তা চলছে ছাড়ও দেয়া হচ্ছে পর্যটক টানতে। অনেক জায়গায় পর্যটন বন্ধ থাকায় মৌলভীবাজারে এ ঈদে ব্যবসা ভালো হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন ব্যবসায়ী নেতারা।
শ্রীমঙ্গল রাধানগর পর্যটন কল্যাণ পরিষদের সাধারন সম্পাদক তারেকুর রহমান পাপ্পু বলেন, 'ঈদে ব্যবসা ভালো হবে। পর্যটকরা আসার জন্য বুকিং দিয়েছে। ঈদের মধ্যে সবাই এবার লম্বা ছুটি পাওয়ায় ব্যবসা ভালো হবে।'
সম্ভাবনার কথা জানালেন পর্যটকের নেতা। বললেন, ঈদকে সামনে রেখে ব্যবসা সফল হবে। ৫০ হাজার পর্যটক থেকে কয়েক কোটি টাকার ব্যবসার আশা।
মৌলভীবাজারের পর্যটন কল্যাণ পরিষদের যুগ্ন আহ্বায়ক কাজী শামসুল হক বলেন, 'আমরা আশা করছি প্রায় ৫০ হাজার পর্যটক আসবে ঈদ ঘীরে। হোটেল থেকে মুরু করে সবমিলে প্রায় করেয়ক কোটি টাকার ব্যবসা হবে।'
পর্যটন পুলিশের কর্মকর্তারা জানালেন পর্যটকদের জন্য সার্বিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। রয়েছে নানা উদ্যোগ।
উপজেলা কর্মকর্তা জানালেন পর্যটকদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে নেয়া হচ্ছে নানা উদ্যোগ। ইতোমধ্যে চল্লিশ লাখ টাকার উপরে খরচ করে বসানো হচ্ছে বিভিন্ন রাস্তায় ল্যাম্প পোস্ট। নতুন নতুন পর্যটন স্পটও খোঁজা হচ্ছে। কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সমৃদ্ধ হবে অর্থনীতি।
দর্শনার্থীদের পদচারনায় মুখরিত হবে মৌলভীবাজারের পর্যটনকেন্দ্রগুলো আর সরকারের সহায়তায় আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে ব্যবসা সফল হবেন হোটেল-রিসোর্টসহ পর্যটন খাতের সবাই, আর জাতীয় অর্থনীতিতে এর প্রভাব পড়বে এমনটাই প্রত্যাশা পর্যটন সংশ্লিষ্টদের।