দেশিয় শিল্পকে টিকিয়ে রাখা ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে শুল্ক ও কর কাঠামোয় সংস্কারের দাবি জোরালো হচ্ছে প্রতিনিয়তই। খাত সংশ্লিষ্টরা বিভিন্ন সময় এসব দাবি জানিয়ে আসছেন সরকারের কাছে।
বিকেলে এনবিআরের প্রধান কার্যালয়ে বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনের সঙ্গে প্রাক বাজেট আলোচনায় বসেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান। এখানেও আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে ওঠে শুল্ক ও কর সংস্কারের বিষয়টি।
পাশাপাশি অ্যালুমিনিয়াম তৈজসপত্রে আরোপিত মূসক অব্যাহতি, ডিউটি কমানো, হাতে তৈরি বেকারি পণ্যকে মূল্য সংযোজন কর ও শুল্কমুক্ত রাখার দাবি জানান খাত সংশ্লিষ্টরা।
আরও পড়ুন:
ব্যবসায়ীদের মধ্যে একজন বলেন, ‘টেকনোলজিক্যাল প্রোডাক্টের ম্যানুফ্যাকচারিংটাকে আরও প্রসার করার জন্য আমাদের যে র-ম্যাটেরিয়ালের ডিউটি ৫৮ বা ৬১ বা ৩৯ শতাংশ ইন টোটাল আরকি টিটিআই— সেটা আসলে ৩৩ শতাংশের মধ্যে আমরা আনার জন্য রিকোয়েস্ট করছি।’
অন্য একজন বলেন, ‘ভ্যাট তো আমাদের আসলে দিতেই হবে, আমরা ভ্যাট দিতেই চাই। কিন্তু সেই ভ্যাট দেয়ার প্রক্রিয়াটা আমরা চাই যে খুব সহজ হোক।’
খাত সংশ্লিষ্টদের মধ্যে একজন বলেন, ‘টুলসসহ এখানে আরও অনেক যন্ত্রপাতি যেগুলো আমাদের রিসার্চে ইউজ হয়, এই কম্পোনেন্টগুলোর ওপরে আমাদের এই শুল্ক-ভ্যাট রহিতকরণের জন্য আমরা আবেদন করেছি।’
আরও পড়ুন:
অ্যাসোসিয়েশন নেতাদের ভ্যাট কমানোর বিষয়ে এনবিআর চেয়ারম্যান জানান, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কম রাজস্ব আহরণের লজ্জা থেকে দেশকে মুক্ত করতে হলে ভ্যাট কমানোর সুযোগ নেই।
এনবিআর চেয়ারম্যান আব্দুর রহমান খান বলেন, ‘আমরা আপনাদের প্রবলেমটা ভালো করে শুনবো, আপনারা আসেন। কিন্তু ট্যাক্স দিতে হবে। আপনার কমপ্লায়েন্স প্রসেস একদম যত ইজি করা যায় করে দেবো। কিন্তু ট্যাক্স দেবো না এ কথা বলা যাবে না। আমাদের মতো দেশের যে পরিমাণ রেভিনিউ আর্ন করার কথা, আমরা এর ধারে কাছেও নাই। এই কথাটা বারবার বুঝতে হবে। সুতরাং আমরা যদি প্রত্যেকটা জায়গায় রেভিনিউ ছাড়ের অফার পাই আর ছাড়ের কথাই শুনি, তাহলে হবে না।’
ভ্যাট-ট্যাক্স দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে, বিষয়টি মাথায় রেখে ব্যবসা পরিচালনার পরামর্শ চেয়ারম্যানের।




