আমদানি-রপ্তানি
অর্থনীতি
নয় দিনের ছুটি শেষে সোনাহাট স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
পবিত্র শবে-ই-কদর, ঈদুল ফিতর এবং বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে টানা ৯ দিনের ছুটি শেষে আজ (সোমবার, ১৫ এপ্রিল) থেকে কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে পুনরায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

সোনাহাট স্থলবন্দরের সহকারি পরিচালক (ট্রাফিক) মো. আতিকুল ইসলাম জানান, সোমবার দুপুর ১টা পর্যন্ত সময়ে ভারতের আসাম রাজ্যের বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গোলকগঞ্জ স্থলবন্দর দিয়ে কয়লা ও পাথর নিয়ে ২৯টি ট্রাক সোনাহাট স্থলবন্দরে এসেছে। পাশাপাশি সিনথেটিক নেট এবং প্লাস্টিক সামগ্রী নিয়ে ৭টি ট্রাক ভারতের গোলকগঞ্জ স্থলবন্দরে গেছে। বিকেল পর্যন্ত আরও পণ্যবাহী ট্রাক যাতায়াত করবে।

সোনাহাট স্থলবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি সরকার রকীব আহমেদ জানান, গত ৬ এপ্রিল থেকে ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত পবিত্র শবে-ই-কদর, ঈদুল ফিতর এবং বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে টানা ৯ দিন কুড়িগ্রামের সোনাহাট স্থলবন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছিল। সোমবার থেকে কার্যক্রম পুণরায় চালু হয়েছে।

উল্লেখ্য কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার সোনাহাট সীমান্তে সোনাহাট স্থলবন্দর এবং এই বন্দরের উল্টো দিকে ভারতের আসাম রাজ্যের গোলকগঞ্জ স্থলবন্দর অবস্থিত। এই স্থলবন্দর দিয়ে ভারতের সেভেন সিস্টার্স বলে খ্যাত আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা  মনিপুর, নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, অরুণাচল প্রদেশ ও ভূটানের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য চলছে। এই বন্দর দিয়ে তাজা ফল,গম, চাল, ডাল, পিয়াজ, রসুন,আদা ও ভূট্টা আমদানির অনুমোদন থাকলেও শুধু পাথর ও কয়লা আসছে। আর রপ্তানি হচ্ছে তৈরি পোশাক, গার্মেন্টস, প্লাস্টিক সামগ্রী ও সিনথেটিক নেট।

দেশের ১৮তম সোনাহাট স্থলবন্দরটি ২০১২ সালে আনুষ্ঠানিক্ভাবে উদ্বোধন করা হলেও কার্যক্রম পুরোদমে চালু হয় ২০১৪ সালে।

ইএ